০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুনর্বাসন ছাড়াই আজিমপুর কলোনির ৩১ ভবন ভাঙার উদ্যোগ, নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমের বিরুদ্ধে ৪১৮ সরকারি পরিবারের মানববন্ধন!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক।।আজিমপুর সরকারি কলোনি (জোন-সি) এলাকায় বসবাসরত ৪১৮টি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিবারের পুনর্বাসন নিশ্চিত না করেই ৩১টি আবাসিক ভবন ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং আজিমপুর গণপূর্ত বিভাগের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা শনিবার মানববন্ধন করে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও পুনর্বাসন সংকটের বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম একনেক ও পরিকল্পনা কমিশনের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তে জোন-সি এলাকার বর্তমান বাসিন্দাদের প্রথমে পুনর্বাসনের কথা থাকলেও সেই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ভবন ভাঙার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

 

বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা বাংলাদেশ সচিবালয়, সুপ্রিম কোর্ট, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীর্ঘদিন ধরে আজিমপুর সরকারি কলোনির জোন-সি এলাকায় বসবাস করছেন। তাদের সন্তানরা রাজধানীর বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত।

 

পরিকল্পনা কমিশনের সিদ্ধান্ত কী ছিল?

 

বাসিন্দাদের উপস্থাপিত নথি অনুযায়ী, “ঢাকাস্থ আজিমপুর সরকারি কলোনির অভ্যন্তরে নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য বহুতল আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ (জোন-সি) প্রকল্প নিয়ে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল যে, প্রকল্প এলাকার ৪১৮টি পরিবারকে পুনর্বাসনের বিস্তারিত পরিকল্পনা ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যাবে না।

 

সেখানে উল্লেখ করা হয়, জোন-বিতে পূর্বে নির্মিত ২৩টি বহুতল ভবনের ফাঁকা ফ্ল্যাটে কিংবা জোন-এ এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনসমূহে ধাপে ধাপে বর্তমান বাসিন্দাদের স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হবে। প্রয়োজন হলে মিরপুরের সরকারি আবাসন প্রকল্পেও স্থানান্তরের সুযোগ রাখা হয়েছিল।

 

কিন্তু বাসিন্দাদের অভিযোগ, এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পরিবর্তে গত ৭ মে ২০২৬ তারিখে তাদেরকে নারায়ণগঞ্জের আলীগঞ্জ এলাকায় বাসা বরাদ্দের নির্দেশ দেওয়া হয়, যা পরিকল্পনা কমিশনের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

 

ভবন ভাঙার দরপত্র নিয়ে প্রশ্ন!

 

বাসিন্দাদের দাবি, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে জোন-সি এলাকায় নতুন ভবন নির্মাণের দরপত্র আহ্বান করা হয় এবং ২২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বর্তমানে বসবাসরত ৩১টি ভবন ভেঙে ফেলার জন্য পৃথক দরপত্র আহ্বান করা হয়।

 

তাদের অভিযোগ, পুনর্বাসনের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা ছাড়াই ভবন ভাঙার কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। এতে শত শত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিবার অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

 

নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ!

 

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা আজিমপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উত্থাপন করেন। তাদের দাবি, বাসা খালি করার জন্য তিনি একাধিক নোটিশ জারি করেছেন, যা তার এখতিয়ারের বাইরে। এছাড়া বহিরাগত ব্যক্তি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন দিয়ে বাসিন্দাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বাসা খালি করতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগও তোলা হয়।

 

বাসিন্দাদের অভিযোগ, এসব ঘটনার বিষয়ে তারা স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করলেও কার্যকর কোনো প্রতিকার পাননি।

 

দুই বছর ধরে নেই মেরামত কাজ!

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বাসিন্দারা আরও বলেন,গত প্রায় দুই বছর ধরে কলোনির বাসাগুলোতে কোনো মেরামত বা রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হয়নি। অথচ নিয়মিতভাবে তাদের বেতন থেকে সরকারি বাসাভাড়া কেটে রাখা হচ্ছে। এতে একদিকে বসবাসের পরিবেশ নষ্ট হয়েছে, অন্যদিকে সরকারি সেবাপ্রাপ্তির অধিকার থেকেও তারা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন।

 

বাসিন্দাদের চার দফা দাবি..

মানববন্ধন থেকে ৪১৮টি পরিবারের পক্ষ থেকে চারটি দাবি উত্থাপন করা হয়,

১.একনেক ও পরিকল্পনা কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জোন-বি এলাকায় পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে।

২. জোন-এ এলাকায় নির্মাণাধীন ভবন নম্বর ২৮, ৩৩, ৩৪ ও ৩৫-এর কাজ দ্রুত শেষ করে অস্থায়ী ভিত্তিতে সেখানে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করতে হবে।

৩. জোন-এ ও জোন-বি প্রকল্পের মতো জোন-সি প্রকল্পও দুই ধাপে বাস্তবায়ন করতে হবে, যাতে বর্তমান বাসিন্দাদের উচ্ছেদ ছাড়াই উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা যায়।

৪. আজিমপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

মানবিক সংকটের আশঙ্কা!

 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “আমরা রাষ্ট্রের কর্মচারী। আমাদের সন্তানদের শিক্ষা, পরিবারের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রার বিষয়টি বিবেচনা না করে জোরপূর্বক উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নেবে। আমরা উন্নয়নের বিরোধী নই, তবে পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

 

তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করলে ৪১৮টি পরিবার ও তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার হাত থেকে রক্ষা পাবে।

 

মানববন্ধনে আজিমপুর সরকারি কলোনি (জোন-সি) এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষে সভাপতি কোহিনুর আক্তার শ্যামলী এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মনোয়ার হোছাইন কাউছার বক্তব্য দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পুনর্বাসন ছাড়াই আজিমপুর কলোনির ৩১ ভবন ভাঙার উদ্যোগ, নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমের বিরুদ্ধে ৪১৮ সরকারি পরিবারের মানববন্ধন!

আপডেট সময় : ০৯:০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।আজিমপুর সরকারি কলোনি (জোন-সি) এলাকায় বসবাসরত ৪১৮টি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিবারের পুনর্বাসন নিশ্চিত না করেই ৩১টি আবাসিক ভবন ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং আজিমপুর গণপূর্ত বিভাগের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা শনিবার মানববন্ধন করে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও পুনর্বাসন সংকটের বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম একনেক ও পরিকল্পনা কমিশনের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তে জোন-সি এলাকার বর্তমান বাসিন্দাদের প্রথমে পুনর্বাসনের কথা থাকলেও সেই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ভবন ভাঙার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

 

বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা বাংলাদেশ সচিবালয়, সুপ্রিম কোর্ট, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীর্ঘদিন ধরে আজিমপুর সরকারি কলোনির জোন-সি এলাকায় বসবাস করছেন। তাদের সন্তানরা রাজধানীর বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত।

 

পরিকল্পনা কমিশনের সিদ্ধান্ত কী ছিল?

 

বাসিন্দাদের উপস্থাপিত নথি অনুযায়ী, “ঢাকাস্থ আজিমপুর সরকারি কলোনির অভ্যন্তরে নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য বহুতল আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ (জোন-সি) প্রকল্প নিয়ে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল যে, প্রকল্প এলাকার ৪১৮টি পরিবারকে পুনর্বাসনের বিস্তারিত পরিকল্পনা ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যাবে না।

 

সেখানে উল্লেখ করা হয়, জোন-বিতে পূর্বে নির্মিত ২৩টি বহুতল ভবনের ফাঁকা ফ্ল্যাটে কিংবা জোন-এ এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনসমূহে ধাপে ধাপে বর্তমান বাসিন্দাদের স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হবে। প্রয়োজন হলে মিরপুরের সরকারি আবাসন প্রকল্পেও স্থানান্তরের সুযোগ রাখা হয়েছিল।

 

কিন্তু বাসিন্দাদের অভিযোগ, এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পরিবর্তে গত ৭ মে ২০২৬ তারিখে তাদেরকে নারায়ণগঞ্জের আলীগঞ্জ এলাকায় বাসা বরাদ্দের নির্দেশ দেওয়া হয়, যা পরিকল্পনা কমিশনের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

 

ভবন ভাঙার দরপত্র নিয়ে প্রশ্ন!

 

বাসিন্দাদের দাবি, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে জোন-সি এলাকায় নতুন ভবন নির্মাণের দরপত্র আহ্বান করা হয় এবং ২২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বর্তমানে বসবাসরত ৩১টি ভবন ভেঙে ফেলার জন্য পৃথক দরপত্র আহ্বান করা হয়।

 

তাদের অভিযোগ, পুনর্বাসনের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা ছাড়াই ভবন ভাঙার কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। এতে শত শত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিবার অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

 

নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ!

 

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা আজিমপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উত্থাপন করেন। তাদের দাবি, বাসা খালি করার জন্য তিনি একাধিক নোটিশ জারি করেছেন, যা তার এখতিয়ারের বাইরে। এছাড়া বহিরাগত ব্যক্তি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন দিয়ে বাসিন্দাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বাসা খালি করতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগও তোলা হয়।

 

বাসিন্দাদের অভিযোগ, এসব ঘটনার বিষয়ে তারা স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করলেও কার্যকর কোনো প্রতিকার পাননি।

 

দুই বছর ধরে নেই মেরামত কাজ!

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বাসিন্দারা আরও বলেন,গত প্রায় দুই বছর ধরে কলোনির বাসাগুলোতে কোনো মেরামত বা রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হয়নি। অথচ নিয়মিতভাবে তাদের বেতন থেকে সরকারি বাসাভাড়া কেটে রাখা হচ্ছে। এতে একদিকে বসবাসের পরিবেশ নষ্ট হয়েছে, অন্যদিকে সরকারি সেবাপ্রাপ্তির অধিকার থেকেও তারা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন।

 

বাসিন্দাদের চার দফা দাবি..

মানববন্ধন থেকে ৪১৮টি পরিবারের পক্ষ থেকে চারটি দাবি উত্থাপন করা হয়,

১.একনেক ও পরিকল্পনা কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জোন-বি এলাকায় পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে।

২. জোন-এ এলাকায় নির্মাণাধীন ভবন নম্বর ২৮, ৩৩, ৩৪ ও ৩৫-এর কাজ দ্রুত শেষ করে অস্থায়ী ভিত্তিতে সেখানে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করতে হবে।

৩. জোন-এ ও জোন-বি প্রকল্পের মতো জোন-সি প্রকল্পও দুই ধাপে বাস্তবায়ন করতে হবে, যাতে বর্তমান বাসিন্দাদের উচ্ছেদ ছাড়াই উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা যায়।

৪. আজিমপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

মানবিক সংকটের আশঙ্কা!

 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “আমরা রাষ্ট্রের কর্মচারী। আমাদের সন্তানদের শিক্ষা, পরিবারের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রার বিষয়টি বিবেচনা না করে জোরপূর্বক উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নেবে। আমরা উন্নয়নের বিরোধী নই, তবে পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

 

তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করলে ৪১৮টি পরিবার ও তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার হাত থেকে রক্ষা পাবে।

 

মানববন্ধনে আজিমপুর সরকারি কলোনি (জোন-সি) এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষে সভাপতি কোহিনুর আক্তার শ্যামলী এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মনোয়ার হোছাইন কাউছার বক্তব্য দেন।