০২:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষণার দাবি, সংসদে হাসির রোল সবাইকে বাংলাদেশি পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্রিডে বিদ্যুৎ কিনবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জামালপুর-ঢাকা রুটে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট সরকার বড় ব্যবসায়ীদের তুষ্ট করছে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায়! আইনুল কবির চৌধুরীর বিরুদ্ধে জমি দ/খ/ল, চাঁ/দা/বাজি ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ! যাত্রাবাড়ীতে আত্মগোপনে থাকা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তাওসীফকে গ্রেপ্তারে অভিযান! বরিশালের মানবিক চিকিৎসক ডা. অমিতাভ সরকারকে নিয়ে অপপ্রচার-তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ! ১১ সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ, গেজেট প্রকাশ মিরপুরের পল্লবীতে বিহারী ক্যাম্পে জামায়াত-বিএনপিপন্থিদের সংঘর্ষ

পদোন্নতির তালিকায় আবারও বিতর্ক-যোগ্যতার পাশাপাশি কেন আলোচনায় পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিচয়?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৮:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬ ১০৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারের ১৯ কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত উপ-মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সমমান) পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। তবে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর প্রশাসনিক অঙ্গনে পদোন্নতির চেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে কয়েকজন কর্মকর্তার পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিচয়।সবচেয়ে বেশি আলোচিত নাম নাশিদ নওয়াজেশ। তিনি ২৪তম বিসিএস (অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস) ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং দীর্ঘদিন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে দায়িত্ব পালন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় সামরিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কর্নেল নওয়াজেশ উদ্দিনের কন্যা,যা নতুন করে জনপরিসরে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 

একই তালিকায় রয়েছেন নারায়ণ চন্দ্র সাহা, কাজী মাসুদা সুলতানা ও রোনক সুফিয়া আফছারা রহমান।তাদের পারিবারিক বা অতীত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রশ্ন ও মতামত দেখা যাচ্ছে।

 

প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের একাংশের প্রশ্ন,রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে পদোন্নতি নিয়ে যখনই বিতর্ক তৈরি হয়, তখন স্বচ্ছতা ও মূল্যায়নের মানদণ্ড প্রকাশে এত অনীহা কেন? পদোন্নতির ক্ষেত্রে শুধুই কি জ্যেষ্ঠতা ও কর্মদক্ষতা বিবেচনায় এসেছে, নাকি জনমনে প্রশ্ন তৈরির মতো অন্য কোনো কারণও রয়েছে?

 

তবে সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনে এসব বিতর্ক বা ব্যক্তিগত পরিচয়ের কোনো উল্লেখ নেই। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিসিএস (রিক্রুটমেন্ট) রুলস-১৯৮১ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুসারেই ১৯ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পদোন্নতির তালিকায় আবারও বিতর্ক-যোগ্যতার পাশাপাশি কেন আলোচনায় পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিচয়?

আপডেট সময় : ০১:২৮:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারের ১৯ কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত উপ-মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সমমান) পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। তবে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর প্রশাসনিক অঙ্গনে পদোন্নতির চেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে কয়েকজন কর্মকর্তার পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিচয়।সবচেয়ে বেশি আলোচিত নাম নাশিদ নওয়াজেশ। তিনি ২৪তম বিসিএস (অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস) ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং দীর্ঘদিন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে দায়িত্ব পালন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় সামরিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কর্নেল নওয়াজেশ উদ্দিনের কন্যা,যা নতুন করে জনপরিসরে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 

একই তালিকায় রয়েছেন নারায়ণ চন্দ্র সাহা, কাজী মাসুদা সুলতানা ও রোনক সুফিয়া আফছারা রহমান।তাদের পারিবারিক বা অতীত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রশ্ন ও মতামত দেখা যাচ্ছে।

 

প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের একাংশের প্রশ্ন,রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে পদোন্নতি নিয়ে যখনই বিতর্ক তৈরি হয়, তখন স্বচ্ছতা ও মূল্যায়নের মানদণ্ড প্রকাশে এত অনীহা কেন? পদোন্নতির ক্ষেত্রে শুধুই কি জ্যেষ্ঠতা ও কর্মদক্ষতা বিবেচনায় এসেছে, নাকি জনমনে প্রশ্ন তৈরির মতো অন্য কোনো কারণও রয়েছে?

 

তবে সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনে এসব বিতর্ক বা ব্যক্তিগত পরিচয়ের কোনো উল্লেখ নেই। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিসিএস (রিক্রুটমেন্ট) রুলস-১৯৮১ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুসারেই ১৯ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।