১১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জেএফকে বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্তার অভিযোগ, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ডে জেজেইউর তীব্র নিন্দা! সর্বস্তরে ইসলামের আদর্শের দাওয়াত পৌঁছানোর আহ্বান মুয়াযযম হোসাইন হেলালের! চাকরি ছাড়ার পরও বেতন তোলার তদবিরের অভিযোগ, চরফ্যাশনের মাদ্রাসায় তোলপাড়! নথিতে রাজনৈতিক ছাপ, ছবিতে ফুলেল শুভেচ্ছা-সরোয়ার হোসেনকে ঘিরে ‘জবাবদিহির ফাইল’ খুলবে কবে? উখিয়ায় ৩০ হাজার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক বরিশালে অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সংবাদ সম্মেলন গোয়ালন্দে নারীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, তিনজনের নাম উল্লেখ করে এজাহার! বরিশাল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) এবং মহিলা টিটিসি’র উদ্যোগে নিরাপদ অভিবাসন ও দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত চীনে কাঁকড়া-কুঁচিয়া রপ্তানি-নমুনা সংগ্রহে ‘বৈষম্য’ ও অনিয়মের অভিযোগ, সংকটে শত শত ব্যবসায়ী। সুনামের ঢাল, নাকি প্রশ্নের মুখোমুখি চিকিৎসা?

চোরাই সিএনজি বেচাকেনার অভিযোগে আখতারসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬ ১৬৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

গুপিবাগ-মানিকনগরে দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেটের অভিযোগ, আতঙ্কে মুখ খুলতে নারাজ স্থানীয়রা!

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।।রাজধানীর গুপিবাগ-মানিকনগর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চোরাই সিএনজি বেচাকেনার একটি চক্র সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, আখতার নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে তার ছেলে রিমু, ভাতিজা সারা এবং আরও কয়েকজন আত্মীয়স্বজন এই কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারেন।

 

অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত প্রায় ২০–২৫ বছরে বিপুলসংখ্যক চোরাই সিএনজি কেনাবেচার মাধ্যমে সংশ্লিষ্টরা বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছেন। এমনকি এ চক্রের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সম্পদের উৎস নিয়েও এলাকায় নানা প্রশ্ন রয়েছে।স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, আখতার ও তার ঘনিষ্ঠদের প্রভাবের কারণে অনেকে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ থাকলেও বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্তের আওতায় আসেনি বলে দাবি তাদের।

 

অভিযোগের তালিকায় আখতারের আত্মীয় মেজবা উদ্দিন এবং রুজি, বিউটি ও ঝর্না নামের কয়েকজনের নামও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে উঠে এসেছে। তবে এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন এবং আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার প্রমাণ ছাড়া কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না।

 

 

তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর,এলাকাবাসীর দাবি,অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। চোরাই সিএনজি বেচাকেনা, অর্থের উৎস, সম্পদের বৈধতা এবং কথিত সিন্ডিকেটের সঙ্গে কারা জড়িত,এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়ায় জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

স্থানীয়দের প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরে যদি এমন একটি চক্র সক্রিয় থাকার অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে এতদিনেও এর মূলহোতাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন?
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সমান গুরুত্বে প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তেই অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চোরাই সিএনজি বেচাকেনার অভিযোগে আখতারসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি।

আপডেট সময় : ০৩:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

 

গুপিবাগ-মানিকনগরে দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেটের অভিযোগ, আতঙ্কে মুখ খুলতে নারাজ স্থানীয়রা!

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।।রাজধানীর গুপিবাগ-মানিকনগর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চোরাই সিএনজি বেচাকেনার একটি চক্র সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, আখতার নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে তার ছেলে রিমু, ভাতিজা সারা এবং আরও কয়েকজন আত্মীয়স্বজন এই কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারেন।

 

অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত প্রায় ২০–২৫ বছরে বিপুলসংখ্যক চোরাই সিএনজি কেনাবেচার মাধ্যমে সংশ্লিষ্টরা বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছেন। এমনকি এ চক্রের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সম্পদের উৎস নিয়েও এলাকায় নানা প্রশ্ন রয়েছে।স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, আখতার ও তার ঘনিষ্ঠদের প্রভাবের কারণে অনেকে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ থাকলেও বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্তের আওতায় আসেনি বলে দাবি তাদের।

 

অভিযোগের তালিকায় আখতারের আত্মীয় মেজবা উদ্দিন এবং রুজি, বিউটি ও ঝর্না নামের কয়েকজনের নামও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে উঠে এসেছে। তবে এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন এবং আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার প্রমাণ ছাড়া কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না।

 

 

তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর,এলাকাবাসীর দাবি,অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। চোরাই সিএনজি বেচাকেনা, অর্থের উৎস, সম্পদের বৈধতা এবং কথিত সিন্ডিকেটের সঙ্গে কারা জড়িত,এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়ায় জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

স্থানীয়দের প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরে যদি এমন একটি চক্র সক্রিয় থাকার অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে এতদিনেও এর মূলহোতাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন?
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সমান গুরুত্বে প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তেই অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।