০৫:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
একদিকে উচ্ছেদ, অন্যদিকে ছাড়! পোর্ট রোডে ৭ কোটির কাজ আর বিসমিল্লাহ রাইস মিল নিয়ে প্রশ্ন। নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষণার দাবি, সংসদে হাসির রোল সবাইকে বাংলাদেশি পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্রিডে বিদ্যুৎ কিনবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জামালপুর-ঢাকা রুটে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট সরকার বড় ব্যবসায়ীদের তুষ্ট করছে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায়! আইনুল কবির চৌধুরীর বিরুদ্ধে জমি দ/খ/ল, চাঁ/দা/বাজি ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ! যাত্রাবাড়ীতে আত্মগোপনে থাকা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তাওসীফকে গ্রেপ্তারে অভিযান! বরিশালের মানবিক চিকিৎসক ডা. অমিতাভ সরকারকে নিয়ে অপপ্রচার-তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ! ১১ সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ, গেজেট প্রকাশ

একদিকে উচ্ছেদ, অন্যদিকে ছাড়! পোর্ট রোডে ৭ কোটির কাজ আর বিসমিল্লাহ রাইস মিল নিয়ে প্রশ্ন।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বরিশাল পোর্ট রোডে ‘বিসমিল্লাহ রাইস মিল’ নিয়ে অবৈধ দখলের অভিযোগ, উচ্ছেদের দাবি!

নিজস্ব প্রতিবেদক।। বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পোর্ট রোড এলাকায় সরকারি জমিড্রেনের জায়গা দখল করে ‘বিসমিল্লাহ রাইস মিল’ গড়ে ওঠার অভিযোগ উঠেছে। একই এলাকায় সরকারি জায়গায় থাকা অন্যান্য স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলেও এই মিলটি এখনো বহাল থাকায় বৈষম্যের প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

 

 

সম্প্রতি প্রবাসী বাংলাদেশি ও ব্যবসায়ী আবু নাহিয়ান নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়ে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আনুমানিক ১৪ ফুট বাই ১০ ফুট জায়গাজুড়ে নির্মিত দোতলা স্থাপনাটি সরকারি ড্রেন বা সড়কের সীমানার মধ্যে রয়েছে।

 

অভিযোগকারীর দাবি, স্থাপনাটি যদি সরকারি জায়গা দখল করে নির্মিত হয়ে থাকে, তাহলে এটি শুধু ভূমি দখলের বিষয় নয়,জনসাধারণের চলাচল, জরুরি প্রয়োজনে ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স চলাচল এবং ভবিষ্যতে নিরাপদ ওয়াকওয়ে নির্মাণেও বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

 

এ কারণে স্থাপনাটির নির্মাণ অনুমোদন, জমির মালিকানা ও সীমানা যাচাইয়ের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে যৌথ সরেজমিন জরিপ করে সরকারি জায়গা দখলের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী অবৈধ স্থাপনাটি দ্রুত উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।

 

স্থানীয়ভাবে প্রভাব খাটিয়ে স্থাপনাটি টিকিয়ে রাখার এবং সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার সহযোগিতার অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানানো হয়েছে।

 

অভিযোগকারীর বক্তব্য,সরকারি জমি দখলের অভিযোগ সত্য হলে, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিবেচনা না করে সবার বিরুদ্ধে একই আইন প্রয়োগ করতে হবে।

 

পোর্ট রোডের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকায় সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগের দ্রুত তদন্ত করে সত্যতা নির্ধারণ এবং দখল প্রমাণিত হলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে বরিশালবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

একদিকে উচ্ছেদ, অন্যদিকে ছাড়! পোর্ট রোডে ৭ কোটির কাজ আর বিসমিল্লাহ রাইস মিল নিয়ে প্রশ্ন।

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

বরিশাল পোর্ট রোডে ‘বিসমিল্লাহ রাইস মিল’ নিয়ে অবৈধ দখলের অভিযোগ, উচ্ছেদের দাবি!

নিজস্ব প্রতিবেদক।। বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পোর্ট রোড এলাকায় সরকারি জমিড্রেনের জায়গা দখল করে ‘বিসমিল্লাহ রাইস মিল’ গড়ে ওঠার অভিযোগ উঠেছে। একই এলাকায় সরকারি জায়গায় থাকা অন্যান্য স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলেও এই মিলটি এখনো বহাল থাকায় বৈষম্যের প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

 

 

সম্প্রতি প্রবাসী বাংলাদেশি ও ব্যবসায়ী আবু নাহিয়ান নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়ে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আনুমানিক ১৪ ফুট বাই ১০ ফুট জায়গাজুড়ে নির্মিত দোতলা স্থাপনাটি সরকারি ড্রেন বা সড়কের সীমানার মধ্যে রয়েছে।

 

অভিযোগকারীর দাবি, স্থাপনাটি যদি সরকারি জায়গা দখল করে নির্মিত হয়ে থাকে, তাহলে এটি শুধু ভূমি দখলের বিষয় নয়,জনসাধারণের চলাচল, জরুরি প্রয়োজনে ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স চলাচল এবং ভবিষ্যতে নিরাপদ ওয়াকওয়ে নির্মাণেও বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

 

এ কারণে স্থাপনাটির নির্মাণ অনুমোদন, জমির মালিকানা ও সীমানা যাচাইয়ের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে যৌথ সরেজমিন জরিপ করে সরকারি জায়গা দখলের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী অবৈধ স্থাপনাটি দ্রুত উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।

 

স্থানীয়ভাবে প্রভাব খাটিয়ে স্থাপনাটি টিকিয়ে রাখার এবং সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার সহযোগিতার অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানানো হয়েছে।

 

অভিযোগকারীর বক্তব্য,সরকারি জমি দখলের অভিযোগ সত্য হলে, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিবেচনা না করে সবার বিরুদ্ধে একই আইন প্রয়োগ করতে হবে।

 

পোর্ট রোডের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকায় সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগের দ্রুত তদন্ত করে সত্যতা নির্ধারণ এবং দখল প্রমাণিত হলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে বরিশালবাসী।