০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঘুষ না দিলে রিপোর্টও নাকি বদলে যায়? সার্ভেয়ার জালালকে ঘিরে অভিযোগের পাহাড়! এক স্বাচিপ নেতাকে হটিয়ে আরেক স্বাচিপ নেতাকে আনলো ড্যাব! সাংবাদিকতা পেশায় রাতারাতি বিত্তশালী হওয়ার সম্ভাবনা নেই -তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বরিশালে শাপলা বিলে পানিতে ডুবে পর্যটকের ম’র্মা’ন্তিক মৃ’ত্যু লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ১০ আগস্ট প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল একদিনে প্রা’ণ গেল আরও ৫ শিশুর রাজধানীতে বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়ার তথ্য সংগ্রহ করছে ডিএমপি রাজধানীতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নি’হ”ত ১ বরিশাল বেলসপার্কে মাদকবিরোধী অভিযান! আদালতে ৩, অভিভাবকের জিম্মায় ২ কিশোর।

এক স্বাচিপ নেতাকে হটিয়ে আরেক স্বাচিপ নেতাকে আনলো ড্যাব!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৩:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ৬৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) পদে নতুন করে দায়িত্ব পেয়েছেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জারি করা সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনে তাঁকে চলতি দায়িত্বে এ পদে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হয়েছে।

 

তবে নতুন এই পদায়নকে ঘিরে বরিশালের স্বাস্থ্য অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, এর আগে একই পদে নিয়োগ পাওয়া ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাবের একটি অংশের দাবি ছিল, তাঁকে সরিয়ে একজন “যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য” কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিতে হবে। কিন্তু নতুন নিয়োগ পাওয়া ডা. রেফায়েতুল হায়দারও অতীতে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ)-এর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

উল্লেখ্য, গত ৫ জুলাই বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হিসেবে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীনকে পদায়ন করা হয়েছিল। পরদিন তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করলে ড্যাব এবং শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের একটি অংশ তাঁর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে। আন্দোলনকারীরা তাঁকে “জুলাইবিরোধী” ও “ফ্যাসিস্টের দোসর” আখ্যা দিয়ে বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে তাঁকে অফিস কক্ষ থেকে বের করে দিয়ে কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

পরে ১২ জুলাই স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের আরেকটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ডা. মনিরুজ্জামান শাহীনের পদায়ন বাতিল করা হয়। এরপর থেকে পদটি শূন্য ছিল।এদিকে নতুন দায়িত্ব পাওয়া ডা. রেফায়েতুল হায়দারকে ঘিরেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও চিকিৎসক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। সমালোচকদের প্রশ্ন, যাঁকে সরানোর দাবিতে আন্দোলন হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে স্বাচিপ-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলা হলেও, নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও একই ধরনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকলে সেই আন্দোলনের নৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

তবে এ বিষয়ে ড্যাবের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দারের কাছ থেকেও তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত রাজনৈতিক পরিচয়সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এক স্বাচিপ নেতাকে হটিয়ে আরেক স্বাচিপ নেতাকে আনলো ড্যাব!

আপডেট সময় : ১১:৪৩:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) পদে নতুন করে দায়িত্ব পেয়েছেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জারি করা সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনে তাঁকে চলতি দায়িত্বে এ পদে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হয়েছে।

 

তবে নতুন এই পদায়নকে ঘিরে বরিশালের স্বাস্থ্য অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, এর আগে একই পদে নিয়োগ পাওয়া ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাবের একটি অংশের দাবি ছিল, তাঁকে সরিয়ে একজন “যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য” কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিতে হবে। কিন্তু নতুন নিয়োগ পাওয়া ডা. রেফায়েতুল হায়দারও অতীতে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ)-এর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

উল্লেখ্য, গত ৫ জুলাই বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হিসেবে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীনকে পদায়ন করা হয়েছিল। পরদিন তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করলে ড্যাব এবং শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের একটি অংশ তাঁর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে। আন্দোলনকারীরা তাঁকে “জুলাইবিরোধী” ও “ফ্যাসিস্টের দোসর” আখ্যা দিয়ে বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে তাঁকে অফিস কক্ষ থেকে বের করে দিয়ে কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

পরে ১২ জুলাই স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের আরেকটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ডা. মনিরুজ্জামান শাহীনের পদায়ন বাতিল করা হয়। এরপর থেকে পদটি শূন্য ছিল।এদিকে নতুন দায়িত্ব পাওয়া ডা. রেফায়েতুল হায়দারকে ঘিরেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও চিকিৎসক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। সমালোচকদের প্রশ্ন, যাঁকে সরানোর দাবিতে আন্দোলন হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে স্বাচিপ-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলা হলেও, নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও একই ধরনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকলে সেই আন্দোলনের নৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

তবে এ বিষয়ে ড্যাবের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দারের কাছ থেকেও তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত রাজনৈতিক পরিচয়সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।