০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর খুব শিগগিরই হওয়া উচিত: দীনেশ ত্রিবেদী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৮:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব।

এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করে বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর ‘খুব শিগগিরই’ হওয়া উচিত।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে ঢাকার বারিধারায় আয়ারল্যান্ডের অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান ও তার স্ত্রী কেট জারো খানের আয়োজিত এক নৈশভোজে বক্তব্য দিতে গিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার এসব কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বৈঠকের মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করা যায়।

আমি খুবই আশাবাদী।” তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের হৃদয়ের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবংতিনি দুই দেশের সম্পর্কের একটি ‘সোনালি অধ্যায়’ দেখতে চান।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত শুধু সীমান্ত ভাগাভাগি করে না, তারা একটি অভিন্ন স্বপ্নও ধারণ করে।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ও ভারত দুটি সার্বভৌম দেশ।

আমাদের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আর যদি কোনো চ্যালেঞ্জ না থাকে, সেটি গণতন্ত্র নয়। গণতন্ত্র যতই বিশৃঙ্খল মনে হোক না কেন, সেটির মধ্যেই আলোচনা ও সমাধানের পথ রয়েছে।”
দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, আমাদের নিজস্ব পরিসর প্রয়োজন। আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য আছে, বিতর্ক আছে, যুক্তি-তর্ক আছে-এটি স্বাভাবিক। কিন্তু যতক্ষণ আমাদের লক্ষ্য এক থাকে, অর্থাৎ দুই দেশের মানুষসহ বিশ্বের সব মানুষের মর্যাদা, সম্মান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা নিশ্চিত করা-ততক্ষণ আমরা এগিয়ে যেতে পারি।

তিনি বলেন, তার প্রধান লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের একটি ‘সোনালি সময়’ তৈরি করা। এজন্য দুই দেশকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, দুজনই জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতা। তাদের লক্ষ্যও একই। আমি গণমাধ্যমে বহুবার বলেছি, যখন এমন দুই নেতা বৈঠক করেন ও আলোচনা করেন, তখন এমন কোনো সমস্যা নেই যা আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের যোগাযোগ ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের বর্তমান ও সাবেক কূটনীতিকরা অংশ নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর খুব শিগগিরই হওয়া উচিত: দীনেশ ত্রিবেদী

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব।

এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করে বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর ‘খুব শিগগিরই’ হওয়া উচিত।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে ঢাকার বারিধারায় আয়ারল্যান্ডের অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান ও তার স্ত্রী কেট জারো খানের আয়োজিত এক নৈশভোজে বক্তব্য দিতে গিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার এসব কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বৈঠকের মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করা যায়।

আমি খুবই আশাবাদী।” তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের হৃদয়ের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবংতিনি দুই দেশের সম্পর্কের একটি ‘সোনালি অধ্যায়’ দেখতে চান।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত শুধু সীমান্ত ভাগাভাগি করে না, তারা একটি অভিন্ন স্বপ্নও ধারণ করে।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ও ভারত দুটি সার্বভৌম দেশ।

আমাদের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আর যদি কোনো চ্যালেঞ্জ না থাকে, সেটি গণতন্ত্র নয়। গণতন্ত্র যতই বিশৃঙ্খল মনে হোক না কেন, সেটির মধ্যেই আলোচনা ও সমাধানের পথ রয়েছে।”
দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, আমাদের নিজস্ব পরিসর প্রয়োজন। আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য আছে, বিতর্ক আছে, যুক্তি-তর্ক আছে-এটি স্বাভাবিক। কিন্তু যতক্ষণ আমাদের লক্ষ্য এক থাকে, অর্থাৎ দুই দেশের মানুষসহ বিশ্বের সব মানুষের মর্যাদা, সম্মান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা নিশ্চিত করা-ততক্ষণ আমরা এগিয়ে যেতে পারি।

তিনি বলেন, তার প্রধান লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের একটি ‘সোনালি সময়’ তৈরি করা। এজন্য দুই দেশকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, দুজনই জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতা। তাদের লক্ষ্যও একই। আমি গণমাধ্যমে বহুবার বলেছি, যখন এমন দুই নেতা বৈঠক করেন ও আলোচনা করেন, তখন এমন কোনো সমস্যা নেই যা আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের যোগাযোগ ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের বর্তমান ও সাবেক কূটনীতিকরা অংশ নেন।