০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাভারে নিষিদ্ধ সংগঠন জেএমবির সদস্য সন্দেহে আটক ১, ককটেল উদ্ধার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকায় একটি চারতলা ভবনে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জেএমবির সদস্য সন্দেহে আরিফ হোসেন (২৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার পর সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকায় আব্দুল জলিলের মালিকানাধীন ওই চারতলা ভবন ঘিরে অভিযান শুরু করে সিটিটিসি। অভিযানে সাভার মডেল থানা পুলিশ ও সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরাও অংশ নেন।

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যা ৭টার পর ভবনটির সামনে অবস্থান নেন সিটিটিসির সদস্যরা। পরে নিরাপত্তার কারণে মাইকিং করে আশপাশের অন্তত ১০টি বাড়ির বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাংবাদিকসহ বেসামরিক ব্যক্তিদেরও ঘটনাস্থল থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়।

অভিযানে অংশ নেওয়া সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে আরিফ হোসেনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি ককটেল ও বোমা তৈরির উপকরণ উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা বিস্ফোরকগুলো সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট বিশেষ ব্যবস্থায় নিয়ে গেছে।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সিটিটিসির সদস্যরা আটক আরিফ হোসেনকে নিয়ে ঢাকার দিকে রওনা হচ্ছেন। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি অভিযানে থাকা কর্মকর্তারা। তবে সিটিটিসির এক সদস্য জানান, আটক ব্যক্তিকে নিয়ে তারা ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছেন।

অভিযান শুরুর পর থেকেই বাড়িটির সামনে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। সিটিটিসির সদস্যদের পাশাপাশি বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও স্থানীয় থানা পুলিশের সদস্যদেরও সেখানে মোতায়েন করা হয়।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রাত সাড়ে ১১টায় ওই বাড়িটি ঘিরে সিটিটিসির অভিযান চলছিল। আটক আরিফ হোসেনের বিস্তারিত পরিচয় এবং উদ্ধার করা বিস্ফোরকের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সাভারে নিষিদ্ধ সংগঠন জেএমবির সদস্য সন্দেহে আটক ১, ককটেল উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৩:২৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকায় একটি চারতলা ভবনে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জেএমবির সদস্য সন্দেহে আরিফ হোসেন (২৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার পর সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকায় আব্দুল জলিলের মালিকানাধীন ওই চারতলা ভবন ঘিরে অভিযান শুরু করে সিটিটিসি। অভিযানে সাভার মডেল থানা পুলিশ ও সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরাও অংশ নেন।

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যা ৭টার পর ভবনটির সামনে অবস্থান নেন সিটিটিসির সদস্যরা। পরে নিরাপত্তার কারণে মাইকিং করে আশপাশের অন্তত ১০টি বাড়ির বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাংবাদিকসহ বেসামরিক ব্যক্তিদেরও ঘটনাস্থল থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়।

অভিযানে অংশ নেওয়া সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে আরিফ হোসেনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি ককটেল ও বোমা তৈরির উপকরণ উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা বিস্ফোরকগুলো সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট বিশেষ ব্যবস্থায় নিয়ে গেছে।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সিটিটিসির সদস্যরা আটক আরিফ হোসেনকে নিয়ে ঢাকার দিকে রওনা হচ্ছেন। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি অভিযানে থাকা কর্মকর্তারা। তবে সিটিটিসির এক সদস্য জানান, আটক ব্যক্তিকে নিয়ে তারা ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছেন।

অভিযান শুরুর পর থেকেই বাড়িটির সামনে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। সিটিটিসির সদস্যদের পাশাপাশি বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও স্থানীয় থানা পুলিশের সদস্যদেরও সেখানে মোতায়েন করা হয়।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রাত সাড়ে ১১টায় ওই বাড়িটি ঘিরে সিটিটিসির অভিযান চলছিল। আটক আরিফ হোসেনের বিস্তারিত পরিচয় এবং উদ্ধার করা বিস্ফোরকের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।