০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপি নেতা হত্যা মামলায়

আদাবরে দুই ছেলেসহ বাবা আটক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর আদাবর এলাকায় বিএনপি নেতা মো. আবুল বাশার বাদশাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া বাবা, দুই ছেলেসহ আরো চারজনকে আটক করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মোট সাতজন আটক হলেন। আটক ব্যক্তিরা হলেন মজনু মিয়া (৬০) ও তাঁর দুই ছেলে মো. রিপন ও নীরব। অন্যজন হলেন মো. মিজানুর রহমান। গতকাল শুক্রবার বিকেলে মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্য দেন।
পুলিশ বলছে, আটকৃতদের মধ্যে দুই ভাই ও তাঁদের বাবা ঘটনাস্থলে ছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে তাঁদের দেখা যায়। গত বৃহস্পতিবার রাতে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানার সাহেবনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিবির তেজগাঁও বিভাগের একটি দল চারজনকে আটক করে।

এ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয় জানিয়ে পুলিশ বলছে, বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আদাবর থানার নবোদয় হাউজিংয়ের চার রাস্তার মোড় এলাকায় সালিশ বৈঠকের সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল বাশার বাদশা (৪৫) নিহত হন।

এ ঘটনায় এই ইউনিয়নের সভাপতি ৩৫ বছর বয়সী মো. সাদ্দাম হোসেন গুরুতর আহত হন। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, গত সোমবার রাতে বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ দেখা এবং বাঁশি বাজানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধের ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতে নবোদয় কাঁচাবাজারসংলগ্ন ডি-ব্লকের ১ নম্বর সড়কে অনুষ্ঠিত একটি সালিশ বৈঠকের শেষ পর্যায়ে আবার সংঘর্ষ বাধে। আটক রিপন সরাসরি বাদশাকে ছুরিকাঘাত করেন দাবি করে ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, তাঁদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর তাঁরা পালিয়ে ময়মনসিংহে গ্রামের বাড়িতে চলে যান।
এ ঘটনায় এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে আদাবরের নবোদয় হাউজিং এলাকা থেকে সন্দেহভাজন সোয়েব হোসেন সোয়াইব, আরমান ও নয়নকে আটক করে আদাবর থানার পুলিশ। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মোট আটকের সংখ্যা দাঁড়াল সাত। এ বিষয়ে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিএনপি নেতা হত্যা মামলায়

আদাবরে দুই ছেলেসহ বাবা আটক

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর আদাবর এলাকায় বিএনপি নেতা মো. আবুল বাশার বাদশাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া বাবা, দুই ছেলেসহ আরো চারজনকে আটক করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মোট সাতজন আটক হলেন। আটক ব্যক্তিরা হলেন মজনু মিয়া (৬০) ও তাঁর দুই ছেলে মো. রিপন ও নীরব। অন্যজন হলেন মো. মিজানুর রহমান। গতকাল শুক্রবার বিকেলে মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্য দেন।
পুলিশ বলছে, আটকৃতদের মধ্যে দুই ভাই ও তাঁদের বাবা ঘটনাস্থলে ছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে তাঁদের দেখা যায়। গত বৃহস্পতিবার রাতে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানার সাহেবনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিবির তেজগাঁও বিভাগের একটি দল চারজনকে আটক করে।

এ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয় জানিয়ে পুলিশ বলছে, বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আদাবর থানার নবোদয় হাউজিংয়ের চার রাস্তার মোড় এলাকায় সালিশ বৈঠকের সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল বাশার বাদশা (৪৫) নিহত হন।

এ ঘটনায় এই ইউনিয়নের সভাপতি ৩৫ বছর বয়সী মো. সাদ্দাম হোসেন গুরুতর আহত হন। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, গত সোমবার রাতে বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ দেখা এবং বাঁশি বাজানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধের ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতে নবোদয় কাঁচাবাজারসংলগ্ন ডি-ব্লকের ১ নম্বর সড়কে অনুষ্ঠিত একটি সালিশ বৈঠকের শেষ পর্যায়ে আবার সংঘর্ষ বাধে। আটক রিপন সরাসরি বাদশাকে ছুরিকাঘাত করেন দাবি করে ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, তাঁদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর তাঁরা পালিয়ে ময়মনসিংহে গ্রামের বাড়িতে চলে যান।
এ ঘটনায় এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে আদাবরের নবোদয় হাউজিং এলাকা থেকে সন্দেহভাজন সোয়েব হোসেন সোয়াইব, আরমান ও নয়নকে আটক করে আদাবর থানার পুলিশ। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মোট আটকের সংখ্যা দাঁড়াল সাত। এ বিষয়ে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।