১১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে জনপ্রিয় কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এম শাহীনের ঈদ শুভেচ্ছা ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে জনপ্রিয় কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এম সাইফুল ইসলাম শাহীনের ঈদ শুভেচ্ছা বরিশাল গণপূর্ত নিয়ে মনগড়া প্রতিবেদন ঘিরে প্রশ্নের ঝড়- ভুল তথ্য, ভুল নাম আর অপ্রমাণিত অভিযোগে বিতর্ক! দুর্নীতির অপ্রতিরোধ্য রথে রাজউক? ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে পাহাড়সম অভিযোগ! বরিশালে এলজিইডির অদৃশ্য সুপার পাওয়ার? বদলি-পদায়ন থেকে প্রশাসন,সবখানেই রহমত-ই-খুদার ছায়া! গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামসুদ্দোহার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ- তদন্তের দাবি! অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে বদলির পর আবারও ঢাকায় প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, উঠছে নানা প্রশ্ন! তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী ও বর্তমান স্বামীর বিরুদ্ধে গুম-খুনের চেষ্টার অভিযোগ,সংবাদ সম্মেলনে প্রথম স্বামী! পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসাব সহকারী মনির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ জুলাই আন্দোলনের মামলা, নাকি পরিকল্পিত চরিত্রহনন? মালয়েশিয়ান তরুণী গৌরনদীতে : ধুমধামে বিয়ে ও বৌ-ভাত সম্পন্ন নলছিটিতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

বরিশাল গণপূর্ত নিয়ে মনগড়া প্রতিবেদন ঘিরে প্রশ্নের ঝড়- ভুল তথ্য, ভুল নাম আর অপ্রমাণিত অভিযোগে বিতর্ক!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬ ৬৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আলম ও হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তাকে জড়িয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সংবাদ নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, সংবাদটিতে একাধিক তথ্যগত ভুল, অপ্রমাণিত অভিযোগ এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উপস্থাপনা রয়েছে, যা একজন পেশাদার সাংবাদিকের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে প্রতিবেদনে ব্যবহৃত নাম নিয়েই। গণপূর্ত বিভাগের হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার প্রকৃত নাম রুপক, অথচ সংবাদে বারবার রুপম নাম ব্যবহার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, একজন দায়িত্বশীল প্রতিবেদকের জন্য এমন মৌলিক তথ্যগত ভুল অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এটি সংবাদটির সামগ্রিক বিশ্বাসযোগ্যতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।এছাড়া প্রতিবেদনে চিফ ইঞ্জিনিয়ারকে স্বর্ণালংকার ও দামি উপহার দেওয়ার যে অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে, তার পক্ষে কোনো ছবি, ভিডিও, দালিলিক নথি কিংবা প্রত্যক্ষ সাক্ষীর বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়নি। ফলে অভিযোগগুলোকে অনেকেই শুনেছি’জেনেছি বা ধারণা করা হচ্ছে’ ধরনের অনুমাননির্ভর বর্ণনা বলে মনে করছেন।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশের আগে তথ্য-প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য এবং নিরপেক্ষ অনুসন্ধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় তা ব্যক্তির সম্মানহানি এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের শামিল হতে পারে।

 

সংশ্লিষ্টদের আরও দাবি, প্রতিবেদনে যেসব রাজনৈতিক সম্পর্ক, টেন্ডার সিন্ডিকেট এবং অবৈধ আর্থিক লেনদেনের কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর অধিকাংশই এখনো কোনো আদালত, তদন্ত সংস্থা কিংবা সরকারি প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়নি। ফলে এসব অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা সাংবাদিকতার নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের মতে, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা অবশ্যই প্রয়োজন, তবে তা হতে হবে তথ্যনির্ভর, নিরপেক্ষ এবং দালিলিক প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে।ভুল নাম, অনুমানভিত্তিক বক্তব্য ও একপাক্ষিক অভিযোগ প্রকাশ করলে সংবাদপত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তেমনি প্রকৃত অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মর্যাদাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

 

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মহল দাবি করেছে, যদি কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তবে তা যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হোক। কিন্তু প্রমাণ ছাড়া কাউকে দোষী সাব্যস্ত করে সংবাদ প্রকাশ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বরিশাল গণপূর্ত নিয়ে মনগড়া প্রতিবেদন ঘিরে প্রশ্নের ঝড়- ভুল তথ্য, ভুল নাম আর অপ্রমাণিত অভিযোগে বিতর্ক!

আপডেট সময় : ০৮:৪২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আলম ও হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তাকে জড়িয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সংবাদ নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, সংবাদটিতে একাধিক তথ্যগত ভুল, অপ্রমাণিত অভিযোগ এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উপস্থাপনা রয়েছে, যা একজন পেশাদার সাংবাদিকের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে প্রতিবেদনে ব্যবহৃত নাম নিয়েই। গণপূর্ত বিভাগের হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার প্রকৃত নাম রুপক, অথচ সংবাদে বারবার রুপম নাম ব্যবহার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, একজন দায়িত্বশীল প্রতিবেদকের জন্য এমন মৌলিক তথ্যগত ভুল অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এটি সংবাদটির সামগ্রিক বিশ্বাসযোগ্যতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।এছাড়া প্রতিবেদনে চিফ ইঞ্জিনিয়ারকে স্বর্ণালংকার ও দামি উপহার দেওয়ার যে অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে, তার পক্ষে কোনো ছবি, ভিডিও, দালিলিক নথি কিংবা প্রত্যক্ষ সাক্ষীর বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়নি। ফলে অভিযোগগুলোকে অনেকেই শুনেছি’জেনেছি বা ধারণা করা হচ্ছে’ ধরনের অনুমাননির্ভর বর্ণনা বলে মনে করছেন।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশের আগে তথ্য-প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য এবং নিরপেক্ষ অনুসন্ধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় তা ব্যক্তির সম্মানহানি এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের শামিল হতে পারে।

 

সংশ্লিষ্টদের আরও দাবি, প্রতিবেদনে যেসব রাজনৈতিক সম্পর্ক, টেন্ডার সিন্ডিকেট এবং অবৈধ আর্থিক লেনদেনের কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর অধিকাংশই এখনো কোনো আদালত, তদন্ত সংস্থা কিংবা সরকারি প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়নি। ফলে এসব অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা সাংবাদিকতার নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের মতে, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা অবশ্যই প্রয়োজন, তবে তা হতে হবে তথ্যনির্ভর, নিরপেক্ষ এবং দালিলিক প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে।ভুল নাম, অনুমানভিত্তিক বক্তব্য ও একপাক্ষিক অভিযোগ প্রকাশ করলে সংবাদপত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তেমনি প্রকৃত অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মর্যাদাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

 

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মহল দাবি করেছে, যদি কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তবে তা যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হোক। কিন্তু প্রমাণ ছাড়া কাউকে দোষী সাব্যস্ত করে সংবাদ প্রকাশ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।