ঘুষের টাকায় ‘রাজপ্রাসাদ’! বরিশালে প্রকৌশলী জামালের ‘মেঘের পলক’ ঘিরে তোলপাড়!
- আপডেট সময় : ০৩:৪০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।। টেন্ডার, বদলি ও কমিশন বাণিজ্যের, অভিযোগ,সম্পদের উৎস অনুসন্ধানে দুদকের তদন্ত দাবি,বরিশালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সাবেক প্রকৌশলী জামালকে ঘিরে উঠেছে গুরুতর দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে টেন্ডার বাণিজ্য, বদলি বাণিজ্য এবং কমিশন নেওয়ার মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগের পাশাপাশি বরিশালে গড়ে তোলা বিলাসবহুল ‘মেঘের পলক’ নামের বাড়িটি নিয়েও শুরু হয়েছে নানা প্রশ্ন।
অভিযোগকারীদের দাবি, সরকারি দায়িত্বে থাকাকালে প্রভাব ও পদমর্যাদাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল অর্থ অর্জন করেছেন তিনি। সেই অর্থের একটি অংশ দিয়ে বরিশালে গড়ে তোলা হয়েছে চোখ ধাঁধানো এই আলিশান স্থাপনা,যার জাঁকজমক দেখে স্থানীয়দের অনেকেই এর অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।শুধু ‘মেঘের পলক’ নয়, বরিশাল, ঢাকা এবং তাঁর নিজ এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তাঁর নামে-বেনামে আরও ফ্ল্যাট, প্লট ও অন্যান্য সম্পদ থাকার অভিযোগও উঠেছে। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর বৈধ আয় ও ঘোষিত সম্পদের সঙ্গে এসব সম্পদের সামঞ্জস্য কতটা,এখন সেটিই বড় প্রশ্ন।
কোটি কোটি টাকার সম্পদ, অথচ আয়ের উৎস কী?
সরকারি চাকরির আয়ে এত বিপুল সম্পদ গড়া কি আদৌ সম্ভব?টেন্ডার ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগের সঙ্গে সম্পদের কোনো যোগসূত্র আছে কি না?এসব প্রশ্নের উত্তর এখন খুঁজছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, অভিযোগগুলো সত্য-মিথ্যা যাচাই করতে তাঁর আয়কর নথি, সম্পদ বিবরণী, ব্যাংক হিসাব, জমি-ফ্ল্যাটের মালিকানা এবং এলজিইডিতে কর্মরত থাকা সময়ের প্রকল্প ও টেন্ডারসংক্রান্ত নথি স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।সচেতন মহলের প্রশ্ন,সরকারি দায়িত্ব পালন করে যদি কারও সম্পদের পাহাড় গড়ে ওঠে, তাহলে সেই সম্পদের উৎস অনুসন্ধান হবে না কেন?তারা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।এদিকে, প্রকৌশলী জামালের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।
অনুসন্ধান এখানেই শেষ নয়,মেঘের পলক-এর নেপথ্যের অর্থের উৎস, কথিত সম্পদের হিসাব এবং টেন্ডার ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ,সবকিছু নিয়েই চলছে আরও অনুসন্ধান। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী প্রতিবেদনে নথি-প্রমাণসহ বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।




















