অপরাধ বিচিত্রার মোরশেদসহ দুই সম্পাদকের বিরুদ্ধে পাহাড়সম অভিযোগ!
- আপডেট সময় : ০১:০৫:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।। সাংবাদিকতার সাইনবোর্ড ব্যবহার করে ভীতি প্রদর্শন, ব্ল্যাকমেইল ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশের হুমকি দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার এক ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে সাপ্তাহিক ‘অপরাধ বিচিত্রা’ পত্রিকার সম্পাদক এস এম মোরশেদের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন ধরে অপসাংবাদিকতা ও হলুদ সাংবাদিকতার আড়ালে এক সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজির চক্র গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মানহানিকর ও বানোয়াট প্রতিবেদন তৈরি করে তা প্রকাশের ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করাই মূলত তার মূল অপকৌশল।
এই চাঁদাবাজির প্রক্রিয়ায় সাধারণত কোনো ব্যবসায়ী, ব্যাংক কর্মকর্তা বা সরকারি চাকরিজীবীকে টার্গেট বানিয়ে প্রথমে তাদের নামে কাল্পনিক বা অতিরঞ্জিত দুর্নীতির অভিযোগ তৈরি করা হয়। এরপর টাকা না দিলেই নিউজ করা হবে বলে সরাসরি হুমকি দিয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে দাবি করা হয় লাখ লাখ টাকা। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বা টাকা দিতে দেরি হলে ‘অপরাধ বিচিত্রা’ ম্যাগাজিন ও তাদের তৈরি করা অনলাইন পোর্টালে পরপর কয়েকটি সংখ্যায় অবাস্তব ও মানহানিকর প্রতিবেদন প্রকাশ করে ভুক্তভোগীদেরকে সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলা হয়।
এই ধারাবাহিক হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হয়ে আদালতের শরণাপন্নও হয়েছেন একাধিক ভুক্তভোগী। এরমধ্যে এমনই এক ঘটনায় ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানকে নিয়ে ২০২০ সালে বানোয়াট প্রতিবেদন প্রকাশ করেন মোরশেদ, যার নেপথ্যে ছিল মোটা অঙ্কের চাঁদা না পাওয়া। পরবর্তীতে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ২০২৪ সালে আদালত সম্পাদক এস এম মোরশেদকে অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমেও এস এম মোরশেদকে কুখ্যাত চাঁদাবাজ এবং অপরাধ বিচিত্রাকে একটি আন্ডারগ্রাউন্ড অখ্যাত ম্যাগাজিন হিসেবে উল্লেখ করে বহু ভুক্তভোগী টানা প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন।
একই ধরনের অপসাংবাদিকতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে ‘ভোরের বাংলাদেশ’ নামক অনলাইন পোর্টালের সম্পাদক হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধেও। পেশাগত নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে পরিচালিত এই অপসাংবাদিকতা ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ এবং নির্দিষ্ট আইনি ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।














