তালাক ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগ, বরিশালে স্বামীর থানায় লিখিত অভিযোগ!
- আপডেট সময় : ১১:৪১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬৪ বার পড়া হয়েছে

স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে গালাগাল, ভয়ভীতি ও ‘কু-প্ররোচনার’ অভিযোগ!
বরিশাল প্রতিনিধি।।বরিশাল নগরীতে স্ত্রীকে তালাক না দিয়েই অন্য এক পুরুষকে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্ত্রী আসমা আক্তার ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে গালাগাল, ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি এবং ‘কু-প্ররোচনার’ অভিযোগ এনে কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তার স্বামী মো. শাহিদুল ইসলাম (৩৩)।
গত ১২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নগরীর নিউ সার্কুলার রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে থানায় দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করেছেন শাহিদুল।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে আসমা আক্তারের সঙ্গে শাহিদুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের পর প্রথমদিকে তাদের দাম্পত্য জীবন স্বাভাবিকভাবেই চলছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ২০২৪ সালে পড়াশোনার কথা বলে স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যাওয়ার পর তাদের দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয় বলে দাবি শাহিদুলের।
শাহিদুলের অভিযোগ, তিনি পরিবারের ছোট সন্তান হওয়ায় বিভিন্ন কৌশলে তার স্ত্রী প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যান। পরবর্তী সময়ে স্ত্রী তার সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে কথা বলা বন্ধ করে দেন এবং অন্য এক পুরুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।অভিযোগে বলা হয়েছে, কিছুদিন আগে আসমা তাদের বাড়িতে এসে নিজের প্রয়োজনীয় কাপড়-চোপড় নিয়ে যান। এরপর থেকেই তিনি আর সংসার করবেন না বলে নানা টালবাহানা করতে থাকেন, শাহিদুলের দাবি, এ বিষয়ে তার স্ত্রীকে তার বাবা মজিবুর রহমান ও মুকুল বেগম কু-প্ররোচনা দিয়েছেন।
ঘটনার মোড় ঘুরে যায় গত ১২ সেপ্টেম্বর। শাহিদুলের দাবি, ওইদিন তিনি জানতে পারেন,তাকে তালাক না দিয়েই তার স্ত্রী অন্য এক পুরুষকে বিয়ে করেছেন। বিষয়টি জানার পর তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে সেখানে তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করা হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।এছাড়া বিভিন্ন সময়ে ফোনে যোগাযোগ করে স্ত্রী তাকে হুমকি দিয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করার কথাও বলেছেন বলে দাবি শাহিদুলের।
অভিযুক্তদের বক্তব্য কী?অভিযুক্ত মজিবুর রহমানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।অন্যদিকে অভিযুক্ত আছমা আক্তারের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের কাছে লিখিতভাবে আবেদন জানিয়েছেন শাহিদুল ইসলাম।তবে অভিযোগে উত্থাপিত তালাক ও দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি আইনগতভাবে কী অবস্থায় রয়েছে এবং অভিযোগের সত্যতা কতটা,তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।


















