১২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হুন্ডির রাজা’ চৌধুরী এন্টারপ্রাইজের তীর সোনার বাংলা মানি এক্সচেঞ্জের দিকে, ধরাছোঁয়ার বাইরে কেন?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।। গোপালগঞ্জে হামলার অর্থায়ন থেকে কথিত হুন্ডি কারবার,চৌধুরী গংকে ঘিরে উঠছে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ,প্রশ্ন, নেপথ্যের ‘খুঁটির জোর’ কোথায়?

 

সোনার বাংলা মানি এক্সচেঞ্জের মালিক মনির চৌধুরীকে ঘিরে কথিত হুন্ডি ও অর্থপাচারের অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে বিপুল অর্থের লেনদেন ও পাচার চালানো হচ্ছে।আরও গুরুতর অভিযোগ,গোপালগঞ্জে সংঘটিত সহিংসতার পেছনে অর্থের জোগান দেওয়ার ক্ষেত্রেও এই চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তেই প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।অভিযোগকারীদের দাবি, টিপু চৌধুরী, মনির চৌধুরী, সোহাগ ও ইকবালসহ কয়েকজনকে ঘিরে একটি সক্রিয় নেটওয়ার্ক রয়েছে, যারা বিভিন্ন মাধ্যমে অর্থ লেনদেন ও কথিত হুন্ডি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। রাজধানীর দিলকুশা এলাকায় নিয়মিত আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে।

 

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন,এত অভিযোগের পরও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কার্যকর তদন্ত কেন হচ্ছে না? কার প্রভাব বা আশ্রয়ে তারা বারবার ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে,এ প্রশ্নের উত্তর এখন জনসম্মুখে আসা জরুরি।মনির চৌধুরীর রাজনৈতিক পরিচয় ও অতীত কর্মকাণ্ড নিয়েও নানা আলোচনা রয়েছে। অভিযোগকারীদের বক্তব্য, তাকে ঘিরে থাকা পুরো নেটওয়ার্ককে তদন্তের আওতায় আনা গেলে কথিত অর্থপাচারের উৎস, গন্তব্য এবং সহযোগীদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

 

এখন প্রয়োজন গুজব নয়, প্রমাণভিত্তিক তদন্ত। সংশ্লিষ্ট মানি এক্সচেঞ্জ, ব্যাংক হিসাব, বৈদেশিক লেনদেন, সম্পদের বিবরণ এবং অর্থের উৎস-গন্তব্য খতিয়ে দেখলে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব।জনস্বার্থে প্রশ্ন একটাই,কথিত হুন্ডি ও অর্থপাচারের এই নেটওয়ার্কের পেছনে আসলে কারা? আর এত অভিযোগের পরও কেন তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?

 

অভিযোগ সত্য হলে অবৈধ অর্থের উৎস শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং রাষ্ট্রের স্বার্থে অর্থ উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। আর অভিযোগ মিথ্যা হলে সংশ্লিষ্টদেরও তা প্রমাণের সুযোগ দিতে হবে।এখন সময়,নেপথ্যের সব ‘খুঁটি’ চিহ্নিত করে সত্যকে সামনে আনার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

হুন্ডির রাজা’ চৌধুরী এন্টারপ্রাইজের তীর সোনার বাংলা মানি এক্সচেঞ্জের দিকে, ধরাছোঁয়ার বাইরে কেন?

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।। গোপালগঞ্জে হামলার অর্থায়ন থেকে কথিত হুন্ডি কারবার,চৌধুরী গংকে ঘিরে উঠছে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ,প্রশ্ন, নেপথ্যের ‘খুঁটির জোর’ কোথায়?

 

সোনার বাংলা মানি এক্সচেঞ্জের মালিক মনির চৌধুরীকে ঘিরে কথিত হুন্ডি ও অর্থপাচারের অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে বিপুল অর্থের লেনদেন ও পাচার চালানো হচ্ছে।আরও গুরুতর অভিযোগ,গোপালগঞ্জে সংঘটিত সহিংসতার পেছনে অর্থের জোগান দেওয়ার ক্ষেত্রেও এই চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তেই প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।অভিযোগকারীদের দাবি, টিপু চৌধুরী, মনির চৌধুরী, সোহাগ ও ইকবালসহ কয়েকজনকে ঘিরে একটি সক্রিয় নেটওয়ার্ক রয়েছে, যারা বিভিন্ন মাধ্যমে অর্থ লেনদেন ও কথিত হুন্ডি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। রাজধানীর দিলকুশা এলাকায় নিয়মিত আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে।

 

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন,এত অভিযোগের পরও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কার্যকর তদন্ত কেন হচ্ছে না? কার প্রভাব বা আশ্রয়ে তারা বারবার ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে,এ প্রশ্নের উত্তর এখন জনসম্মুখে আসা জরুরি।মনির চৌধুরীর রাজনৈতিক পরিচয় ও অতীত কর্মকাণ্ড নিয়েও নানা আলোচনা রয়েছে। অভিযোগকারীদের বক্তব্য, তাকে ঘিরে থাকা পুরো নেটওয়ার্ককে তদন্তের আওতায় আনা গেলে কথিত অর্থপাচারের উৎস, গন্তব্য এবং সহযোগীদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

 

এখন প্রয়োজন গুজব নয়, প্রমাণভিত্তিক তদন্ত। সংশ্লিষ্ট মানি এক্সচেঞ্জ, ব্যাংক হিসাব, বৈদেশিক লেনদেন, সম্পদের বিবরণ এবং অর্থের উৎস-গন্তব্য খতিয়ে দেখলে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব।জনস্বার্থে প্রশ্ন একটাই,কথিত হুন্ডি ও অর্থপাচারের এই নেটওয়ার্কের পেছনে আসলে কারা? আর এত অভিযোগের পরও কেন তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?

 

অভিযোগ সত্য হলে অবৈধ অর্থের উৎস শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং রাষ্ট্রের স্বার্থে অর্থ উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। আর অভিযোগ মিথ্যা হলে সংশ্লিষ্টদেরও তা প্রমাণের সুযোগ দিতে হবে।এখন সময়,নেপথ্যের সব ‘খুঁটি’ চিহ্নিত করে সত্যকে সামনে আনার।