০৭:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাঁদা না দিলে জমি দখল? ঝিনাইদহে ব্যবসায়ী আনোয়ারুজ্জামান আজাদকে হুমকির অভিযোগ, তোলপাড়! ঘুষের টাকায় ‘রাজপ্রাসাদ’! বরিশালে প্রকৌশলী জামালের ‘মেঘের পলক’ ঘিরে তোলপাড়! ফেনীতে কৃষকদল নেতা আমিনুল হক ব/হি/ষ্কার কোটি টাকার সরকারি ভবন ৫৪ হাজার টাকায় নিলাম! গুঠিয়া বিএনপি কার্যালয়ে আ’লীগ নেতাদের আপ্যায়ন, শা/স্তি/র ঘটনায় ডাবল স্ট্যান্ডার্ড অ/ভি/যোগ! ইউএনজিএর ৮১তম অধিবেশন সামনে, গুতেরেসের সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক সংসদে গাজী নজরুল ইস্যুতে হাস্যরসাত্মক বিতর্ক সিলেটে অভিযানে গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৬ নেতা পাবনায় গুলিতে নিহত তমা হত্যা মামলার প্রধান আসামি অটোরিকশায় আসছে কিউআর কোড, চালু হবে ডিজিটাল ট্র্যাকিং

ওএসডি থেকে বরিশালের সিভিল সার্জন! সাবেক স্বাচিপ নেতা ডা. মনিরুজ্জামানের পদায়নে কেন নতুন বিতর্ক?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ২৪৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। ওএসডি হওয়া চিকিৎসক ও স্বাচিপ-সংশ্লিষ্ট নেতা হিসেবে পরিচিত ডা. মনিরুজ্জামানকে বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে পদায়ন করাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

 

তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়দের একাংশ দাবি করছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন এবং সে সময় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের আশীর্বাদে একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

সমালোচকদের দাবি, দায়িত্ব পালনে অনিয়ম, কথিত টেস্ট বাণিজ্য, প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতা এবং বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ বহুবার উঠলেও তিনি বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করে যান।অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও তিনি আগের প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা করলে ২০২৫ সালে স্থানীয় বিএনপি, ছাত্র-জনতা ও সচেতন নাগরিকদের তীব্র আন্দোলনের মুখে পড়েন। তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তিনি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ত্যাগ করেন বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।

 

এছাড়াও অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষাপটে তাকে ওএসডি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।

 

আরও অভিযোগ রয়েছে, গৌরনদীতে দায়িত্ব পালনকালে তিনি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বাচিপের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে চাপ দিতেন। স্থানীয়দের দাবি, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বরিশালের আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং গৌরনদীর সাবেক মেয়র হারিসের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

প্রশ্ন উঠেছে,এতসব অভিযোগের পরও কীভাবে এমন একজন কর্মকর্তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হলো? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

 

উপরের অভিযোগগুলো অভিযোগকারী ও স্থানীয় সূত্রের দাবির ভিত্তিতে উপস্থাপিত। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য বা সরকারি তদন্তে ভিন্ন তথ্য উঠে এলে তা যথাযথ গুরুত্বসহ প্রকাশ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ওএসডি থেকে বরিশালের সিভিল সার্জন! সাবেক স্বাচিপ নেতা ডা. মনিরুজ্জামানের পদায়নে কেন নতুন বিতর্ক?

আপডেট সময় : ১০:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।। ওএসডি হওয়া চিকিৎসক ও স্বাচিপ-সংশ্লিষ্ট নেতা হিসেবে পরিচিত ডা. মনিরুজ্জামানকে বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে পদায়ন করাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

 

তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়দের একাংশ দাবি করছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন এবং সে সময় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের আশীর্বাদে একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

সমালোচকদের দাবি, দায়িত্ব পালনে অনিয়ম, কথিত টেস্ট বাণিজ্য, প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতা এবং বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ বহুবার উঠলেও তিনি বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করে যান।অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও তিনি আগের প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা করলে ২০২৫ সালে স্থানীয় বিএনপি, ছাত্র-জনতা ও সচেতন নাগরিকদের তীব্র আন্দোলনের মুখে পড়েন। তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তিনি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ত্যাগ করেন বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।

 

এছাড়াও অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষাপটে তাকে ওএসডি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।

 

আরও অভিযোগ রয়েছে, গৌরনদীতে দায়িত্ব পালনকালে তিনি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বাচিপের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে চাপ দিতেন। স্থানীয়দের দাবি, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বরিশালের আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং গৌরনদীর সাবেক মেয়র হারিসের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

প্রশ্ন উঠেছে,এতসব অভিযোগের পরও কীভাবে এমন একজন কর্মকর্তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হলো? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

 

উপরের অভিযোগগুলো অভিযোগকারী ও স্থানীয় সূত্রের দাবির ভিত্তিতে উপস্থাপিত। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য বা সরকারি তদন্তে ভিন্ন তথ্য উঠে এলে তা যথাযথ গুরুত্বসহ প্রকাশ করা হবে।