গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামসুদ্দোহার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ- তদন্তের দাবি!
- আপডেট সময় : ১০:৫৪:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।।গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃশামসুদ্দোহার বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, কমিশন বাণিজ্য এবং বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারীরা এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৫তম বিসিএসের মাধ্যমে ১৯৯৫ সালে গণপূর্ত অধিদপ্তরে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন মোঃ শামসুদ্দোহা।দীর্ঘ চাকরি জীবনে তিনি উপবিভাগীয় প্রকৌশলী, নির্বাহী প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি,বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার, কমিশন গ্রহণ এবং সরকারি অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত বিচারিক সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসেনি।অভিযোগে বলা হয়েছে, রমনা, মহাখালী, নারায়ণগঞ্জ, সাভার ও ময়মনসিংহে দায়িত্ব পালনকালে কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। বিশেষ করে সরকারি আবাসন প্রকল্প, সংস্কার কাজ এবং মডেল মসজিদ নির্মাণ প্রকল্পের দরপত্র ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা।
এছাড়া ২০১৯ সালে গণপূর্ত বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি অভিযোগপত্রে তার নামও উল্লেখ ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হলেও পরবর্তীতে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।
অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেন, চাকরি জীবনে অর্জিত আয়ের তুলনায় তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য বিভিন্ন মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এসব সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ শামসুদ্দোহার বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অভিযোগগুলো সঠিক কি না তা নির্ধারণে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটিত হলে জনমনে বিদ্যমান প্রশ্নের উত্তর মিলবে এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।




















