১১:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপালে পাহাড়ধস ও বন্যায় নিহত ১৫৭

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নেপালে আকস্মিক পাহাড়ধস ও বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৭ জনে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৪০৩ জন। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে ১১৪ জনকে। খবর, বিবিসির।

বুধবার (২৬ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে জানানো হয় এ তথ্য।

পাহাড়ধস ও আকস্মিক এ বন্যায় এদিন সকালে তিব্বত সীমান্তবর্তী একটি অঞ্চলে বেশ কয়েকটি গ্রাম অতুলনীয় ক্ষতির মুখে পড়ে। উদ্ধার ও ত্রাণকাজে নেপাল সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার এবং দুর্যোগ মোকাবিলা দল মোতায়েন করা হয়েছে।

বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে ভোতে কোশি নদীতে হঠাৎ পানির প্রবল স্রোত নেমে আসে। ধারণা করা হচ্ছে, এই পানি তিব্বতের দিক থেকে এসেছে।

মূলত, হঠাৎই পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় রাসুয়া জেলার তিমুরে এবং কাছের স্যাফ্রুবেশি এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়।

দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, যানবাহন, পণ্যসামগ্রী ও অন্যান্য সম্পদ পানির স্রোতে ভেসে গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, বন্যাকবলিত সীমান্তবর্তী এলাকায় নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে দুর্গম ভূপ্রকৃতি, যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার কার্যক্রমে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।

নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসা ও দুর্গতদের সহায়তায় কাজ করছেন উদ্ধারকর্মীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নেপালে পাহাড়ধস ও বন্যায় নিহত ১৫৭

আপডেট সময় : ০৪:১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

নেপালে আকস্মিক পাহাড়ধস ও বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৭ জনে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৪০৩ জন। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে ১১৪ জনকে। খবর, বিবিসির।

বুধবার (২৬ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে জানানো হয় এ তথ্য।

পাহাড়ধস ও আকস্মিক এ বন্যায় এদিন সকালে তিব্বত সীমান্তবর্তী একটি অঞ্চলে বেশ কয়েকটি গ্রাম অতুলনীয় ক্ষতির মুখে পড়ে। উদ্ধার ও ত্রাণকাজে নেপাল সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার এবং দুর্যোগ মোকাবিলা দল মোতায়েন করা হয়েছে।

বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে ভোতে কোশি নদীতে হঠাৎ পানির প্রবল স্রোত নেমে আসে। ধারণা করা হচ্ছে, এই পানি তিব্বতের দিক থেকে এসেছে।

মূলত, হঠাৎই পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় রাসুয়া জেলার তিমুরে এবং কাছের স্যাফ্রুবেশি এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়।

দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, যানবাহন, পণ্যসামগ্রী ও অন্যান্য সম্পদ পানির স্রোতে ভেসে গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, বন্যাকবলিত সীমান্তবর্তী এলাকায় নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে দুর্গম ভূপ্রকৃতি, যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার কার্যক্রমে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।

নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসা ও দুর্গতদের সহায়তায় কাজ করছেন উদ্ধারকর্মীরা।