০২:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবর্ধনা না ‘সংগ্রহ অভিযান’? গণপূর্তে বিদায়ী আয়োজন ঘিরে অভিযোগের ঝড়! ৩৫৭ টাকা দাম কমল ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে জুলাই শহীদদের স্মরণসভার উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী অপপ্রচারের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স! আজ শুরু এইচএসসি পরিক্ষা অনুপস্থিত ২৪৭৮৪,বহিষ্কার ৭ রাতে পর্তুগাল স্পেনের ভাগ্য পরীক্ষা বরিশাল বাসির প্রানের দাবি এই চার মেগা প্রকল্প পানি সরবরাহ প্রযুক্তি শিখতে ৫৪ দিনের জাপান সফরে ওয়াসার দুই কর্মকর্তা পদোন্নতির তালিকায় আবারও বিতর্ক-যোগ্যতার পাশাপাশি কেন আলোচনায় পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিচয়? পারিলায় বইছে নির্বাচনী হাওয়া: পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও উন্নয়নে জনপ্রিয়তার শীর্ষে চেয়ারম্যান সাঈদ আলী মুর্শেদ।

সংবর্ধনা না ‘সংগ্রহ অভিযান’? গণপূর্তে বিদায়ী আয়োজন ঘিরে অভিযোগের ঝড়!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক।।গণপূর্ত অধিদপ্তরে বিদায়ী সংবর্ধনা মানেই কি এখন রাজকীয় আয়োজন? নাকি এটি এমন এক অনুষ্ঠান, যেখানে বিদায়ের চেয়ে বাজেটই বেশি আলোচনার বিষয়?অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তার অভিযোগ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. শামসুদ্দোহার বিদায়ী সংবর্ধনাকে ঘিরে বিসিএস পাবলিক ওয়ার্কস অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে সারাদেশ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকার প্রতিটি সার্কেল থেকে ২ লাখ এবং ঢাকার বাইরের প্রতিটি সার্কেল থেকে ১ লাখ টাকা করে তোলা হয়েছে। সব মিলিয়ে অঙ্কটি নাকি প্রায় ৫০ লাখ টাকা!প্রশ্ন উঠেছে,এটি কি বিদায়ী সংবর্ধনা, নাকি অবসরকালীন মেগা প্রজেক্ট?অভিযোগ আরও আছে, কেউ যদি চাঁদা দিতে অনাগ্রহ দেখান, তাহলে নাকি বদলির ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে। ফলে অনেকের প্রশ্ন, এটি কি স্বেচ্ছা অনুদান ছিল, নাকি স্বেচ্ছায় বাধ্যতামূলক সহযোগিতা?

 

একাধিক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, এমন জাঁকজমকপূর্ণ বিদায় অতীতে খুব কমই দেখা গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কুষ্টিয়া থেকে ২৫টি খাসি আনা হয়েছে, সঙ্গে ছিল দামি ব্র্যান্ডের উপহার। ফলে অধিদপ্তরের ভেতরেই কেউ কেউ রসিকতা করে বলছেন, এটি বিদায়ী সংবর্ধনা ছিল, নাকি রাজকীয় ভোজসভা?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রকৌশলীর অভিযোগ, বিভিন্ন উপলক্ষে অর্থ সংগ্রহ যেন এখন এক ধরনের অলিখিত সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। তাদের মতে, এই অর্থের জোগান দিতে গিয়ে অনেক সময় প্রশাসনিক ও আর্থিক চাপ তৈরি হয়, যা শেষ পর্যন্ত সুশাসনের জন্যও প্রশ্ন তৈরি করে।তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. শামসুদ্দোহা এবং বিসিএস পাবলিক ওয়ার্কস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এখন প্রশ্ন একটাই,বিদায়ী সংবর্ধনার প্রকৃত খরচ কত ছিল? অর্থ সংগ্রহের সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হয়েছিল? আর যদি সবকিছু নিয়মমাফিক হয়ে থাকে, তাহলে সেই হিসাব প্রকাশে আপত্তি কোথায়?সবশেষে মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন, এসব অভিযোগ অভিযোগকারী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপিত। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য বা কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে সেটিও একই গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সংবর্ধনা না ‘সংগ্রহ অভিযান’? গণপূর্তে বিদায়ী আয়োজন ঘিরে অভিযোগের ঝড়!

আপডেট সময় : ০৮:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।গণপূর্ত অধিদপ্তরে বিদায়ী সংবর্ধনা মানেই কি এখন রাজকীয় আয়োজন? নাকি এটি এমন এক অনুষ্ঠান, যেখানে বিদায়ের চেয়ে বাজেটই বেশি আলোচনার বিষয়?অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তার অভিযোগ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. শামসুদ্দোহার বিদায়ী সংবর্ধনাকে ঘিরে বিসিএস পাবলিক ওয়ার্কস অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে সারাদেশ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকার প্রতিটি সার্কেল থেকে ২ লাখ এবং ঢাকার বাইরের প্রতিটি সার্কেল থেকে ১ লাখ টাকা করে তোলা হয়েছে। সব মিলিয়ে অঙ্কটি নাকি প্রায় ৫০ লাখ টাকা!প্রশ্ন উঠেছে,এটি কি বিদায়ী সংবর্ধনা, নাকি অবসরকালীন মেগা প্রজেক্ট?অভিযোগ আরও আছে, কেউ যদি চাঁদা দিতে অনাগ্রহ দেখান, তাহলে নাকি বদলির ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে। ফলে অনেকের প্রশ্ন, এটি কি স্বেচ্ছা অনুদান ছিল, নাকি স্বেচ্ছায় বাধ্যতামূলক সহযোগিতা?

 

একাধিক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, এমন জাঁকজমকপূর্ণ বিদায় অতীতে খুব কমই দেখা গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কুষ্টিয়া থেকে ২৫টি খাসি আনা হয়েছে, সঙ্গে ছিল দামি ব্র্যান্ডের উপহার। ফলে অধিদপ্তরের ভেতরেই কেউ কেউ রসিকতা করে বলছেন, এটি বিদায়ী সংবর্ধনা ছিল, নাকি রাজকীয় ভোজসভা?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রকৌশলীর অভিযোগ, বিভিন্ন উপলক্ষে অর্থ সংগ্রহ যেন এখন এক ধরনের অলিখিত সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। তাদের মতে, এই অর্থের জোগান দিতে গিয়ে অনেক সময় প্রশাসনিক ও আর্থিক চাপ তৈরি হয়, যা শেষ পর্যন্ত সুশাসনের জন্যও প্রশ্ন তৈরি করে।তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. শামসুদ্দোহা এবং বিসিএস পাবলিক ওয়ার্কস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এখন প্রশ্ন একটাই,বিদায়ী সংবর্ধনার প্রকৃত খরচ কত ছিল? অর্থ সংগ্রহের সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হয়েছিল? আর যদি সবকিছু নিয়মমাফিক হয়ে থাকে, তাহলে সেই হিসাব প্রকাশে আপত্তি কোথায়?সবশেষে মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন, এসব অভিযোগ অভিযোগকারী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপিত। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য বা কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে সেটিও একই গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।