০২:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে জনপ্রিয় কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এম শাহীনের ঈদ শুভেচ্ছা ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে জনপ্রিয় কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এম সাইফুল ইসলাম শাহীনের ঈদ শুভেচ্ছা বরিশাল গণপূর্ত নিয়ে মনগড়া প্রতিবেদন ঘিরে প্রশ্নের ঝড়- ভুল তথ্য, ভুল নাম আর অপ্রমাণিত অভিযোগে বিতর্ক! দুর্নীতির অপ্রতিরোধ্য রথে রাজউক? ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে পাহাড়সম অভিযোগ! বরিশালে এলজিইডির অদৃশ্য সুপার পাওয়ার? বদলি-পদায়ন থেকে প্রশাসন,সবখানেই রহমত-ই-খুদার ছায়া! গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামসুদ্দোহার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ- তদন্তের দাবি! অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে বদলির পর আবারও ঢাকায় প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, উঠছে নানা প্রশ্ন! তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী ও বর্তমান স্বামীর বিরুদ্ধে গুম-খুনের চেষ্টার অভিযোগ,সংবাদ সম্মেলনে প্রথম স্বামী! পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসাব সহকারী মনির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ জুলাই আন্দোলনের মামলা, নাকি পরিকল্পিত চরিত্রহনন? মালয়েশিয়ান তরুণী গৌরনদীতে : ধুমধামে বিয়ে ও বৌ-ভাত সম্পন্ন নলছিটিতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে টাকা আদায়,বরিশালে মেডিকেল সাংবাদিক পরিচয়ে ভয়ংকর চাঁদাবাজ চক্র।

মেহরাজ রাব্বি
  • আপডেট সময় : ১১:২২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬ ৭৩১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। ভুয়া কার্ড, ভয়ভীতি আর নাম ভাঙিয়ে টাকা আদায়,বরিশালে সক্রিয় প্রতারক চক্র ভুক্তভোগীদের বক্তব্যে ফাঁস,মেডিকেল সাংবাদিক পরিচয়ে সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে দাপট।

 

বরিশাল বিভাগীয় মেডিকেল সাংবাদিক পরিষদের নাম ব্যবহার করে একটি সংঘবদ্ধ।

 

প্রতারক চক্র আনন্দ ভ্রমণ এর নামে ছাপানো ভুয়া কার্ড দেখিয়ে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজিতে নেমেছে,এমন গুরুতর অভিযোগে এখন উত্তাল বরিশাল। সরকারি দপ্তর থেকে শুরু করে হাসপাতাল, ক্লিনিক, এমনকি ঘাটের ইজারাদার পর্যন্ত,কেউই বাদ পড়েনি এই প্রতারণার শিকার হওয়া তালিকা থেকে।

 

ভুক্তভোগীদের ধারাবাহিক বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পরিকল্পিতভাবে সংগঠনের নাম, কথিত পরিচয়পত্র এবং সাবেক নেতাদের নাম ভাঙিয়ে ভয়ভীতি ও প্রভাব বিস্তার করে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

এক সংগঠন, দুই নামে চাঁদাবাজি-পুরনো কৌশল, নতুন মুখোশ!

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এর আগেও একই চক্র বরিশাল বিভাগীয় ডিজিটাল মেডিকেল সাংবাদিক পরিষদ-এর নামে তথাকথিত আনন্দ ভ্রমণ -এর চাঁদা তুলেছিল। এবার তারা আরও পেশাদার কায়দায় বরিশাল বিভাগীয় মেডিকেল সাংবাদিক পরিষদ,একটি বৈধ ও স্বীকৃত সাংবাদিক সংগঠনের নাম ব্যবহার করে মাঠে নেমেছে। এতে সংগঠনটির প্রকৃত সদস্যদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

 

সাবেক সাধারণ সম্পাদকের নামও ব্যবহার!ফেসবুক স্ট্যাটাসে ফাঁস!

 

ঘটনার ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট হয় যখন বরিশাল বিভাগীয় ডিজিটাল মেডিকেল সাংবাদিক পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে পুরো বিষয়টি জনসমক্ষে আনেন।তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,আমি আগেই সংগঠনের কিছু নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগ করেছি। এখন একটি প্রতারকচক্র আমার নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে চাঁদা তুলছে।এর সঙ্গে আমার বা কোনো বৈধ সাংবাদিক সংগঠনের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও প্রতারণা।”তিনি অবিলম্বে এই চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

 

কথিত সাংবাদিক,শ্যালক আর ‘আনন্দ ভ্রমণের কার্ড!

 

ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের অভিযোগ অনুযায়ী, এই চক্রের মূল হোতা হিসেবে উঠে এসেছে শিকদার মাহবুব নামের এক কথিত সাংবাদিকের নাম। তার সহযোগী হিসেবে কাজ করছে তার শ্যালক রাসেল। তারা ছাপানো আনন্দ ভ্রমণের কার্ড দেখিয়ে নির্ধারিত অঙ্কের টাকা দাবি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

হাসপাতাল থেকে ভূমি অফিস,সবখানেই একই কায়দা!

 

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,কয়েকজন ব্যক্তি মেডিকেল সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চেম্বারে এসে আনন্দ ভ্রমণের কার্ড দেখিয়ে টাকা দাবি করে। পরে খোঁজ নিয়ে বুঝি,এটি একটি প্রতারণা চক্র।

 

বরিশাল সদর ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা জানান,আমাদের অফিসেও এমন কার্ড নিয়ে এসেছিল। সংগঠনের নাম শুনে অনেকেই বিভ্রান্ত হতে পারে। পরে নিশ্চিত হই,এগুলো ভুয়া।

 

মুলাদী উপজেলার মীরগঞ্জ খেয়াঘাটের এক ইজারাদার বলেন,সাংবাদিকদের আনন্দ ভ্রমণের জন্য সহযোগিতা করতে হবে,এই কথা বলে চাঁদা চাওয়া হয়। না দিলে সমস্যা করার ইঙ্গিত দেওয়া হয়। সন্দেহ হওয়ায় টাকা দিইনি।

 

সাংবাদিকতার নামে চাঁদাবাজি,পেশার মুখে কালিমা।

 

স্থানীয় সাংবাদিক ও সচেতন মহলের মতে, সংগঠনের নাম ব্যবহার করে এ ধরনের চাঁদাবাজি শুধু ফৌজদারি অপরাধই নয়, এটি সাংবাদিকতা পেশার বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর সরাসরি আঘাত।এভাবে চলতে থাকলে প্রকৃত সাংবাদিকরাও মানুষের আস্থার সংকটে পড়বেন।তাদের দাবি,দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে, না হলে এ ধরনের প্রতারণা আরও বিস্তার লাভ করবে।

 

সতর্কবার্তা ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান!

 

সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে কেউ যদি ‘আনন্দ ভ্রমণের কার্ড’ বা সংগঠনের নামে চাঁদার দাবি নিয়ে আসে, তাহলে যাচাই ছাড়া কোনো অর্থ দেওয়া যাবে না এবং বিষয়টি অবিলম্বে নিকটস্থ থানায় জানাতে হবে।

 

ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট মহল প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তাৎক্ষণিক ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন,যাতে,প্রতারকচক্রের লাগাম টেনে ধরা যায় এবং সাংবাদিকতার নামে চলমান এই চাঁদাবাজির অবসান ঘটে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে টাকা আদায়,বরিশালে মেডিকেল সাংবাদিক পরিচয়ে ভয়ংকর চাঁদাবাজ চক্র।

আপডেট সময় : ১১:২২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।। ভুয়া কার্ড, ভয়ভীতি আর নাম ভাঙিয়ে টাকা আদায়,বরিশালে সক্রিয় প্রতারক চক্র ভুক্তভোগীদের বক্তব্যে ফাঁস,মেডিকেল সাংবাদিক পরিচয়ে সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে দাপট।

 

বরিশাল বিভাগীয় মেডিকেল সাংবাদিক পরিষদের নাম ব্যবহার করে একটি সংঘবদ্ধ।

 

প্রতারক চক্র আনন্দ ভ্রমণ এর নামে ছাপানো ভুয়া কার্ড দেখিয়ে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজিতে নেমেছে,এমন গুরুতর অভিযোগে এখন উত্তাল বরিশাল। সরকারি দপ্তর থেকে শুরু করে হাসপাতাল, ক্লিনিক, এমনকি ঘাটের ইজারাদার পর্যন্ত,কেউই বাদ পড়েনি এই প্রতারণার শিকার হওয়া তালিকা থেকে।

 

ভুক্তভোগীদের ধারাবাহিক বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পরিকল্পিতভাবে সংগঠনের নাম, কথিত পরিচয়পত্র এবং সাবেক নেতাদের নাম ভাঙিয়ে ভয়ভীতি ও প্রভাব বিস্তার করে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

এক সংগঠন, দুই নামে চাঁদাবাজি-পুরনো কৌশল, নতুন মুখোশ!

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এর আগেও একই চক্র বরিশাল বিভাগীয় ডিজিটাল মেডিকেল সাংবাদিক পরিষদ-এর নামে তথাকথিত আনন্দ ভ্রমণ -এর চাঁদা তুলেছিল। এবার তারা আরও পেশাদার কায়দায় বরিশাল বিভাগীয় মেডিকেল সাংবাদিক পরিষদ,একটি বৈধ ও স্বীকৃত সাংবাদিক সংগঠনের নাম ব্যবহার করে মাঠে নেমেছে। এতে সংগঠনটির প্রকৃত সদস্যদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

 

সাবেক সাধারণ সম্পাদকের নামও ব্যবহার!ফেসবুক স্ট্যাটাসে ফাঁস!

 

ঘটনার ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট হয় যখন বরিশাল বিভাগীয় ডিজিটাল মেডিকেল সাংবাদিক পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে পুরো বিষয়টি জনসমক্ষে আনেন।তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,আমি আগেই সংগঠনের কিছু নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগ করেছি। এখন একটি প্রতারকচক্র আমার নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে চাঁদা তুলছে।এর সঙ্গে আমার বা কোনো বৈধ সাংবাদিক সংগঠনের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও প্রতারণা।”তিনি অবিলম্বে এই চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

 

কথিত সাংবাদিক,শ্যালক আর ‘আনন্দ ভ্রমণের কার্ড!

 

ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের অভিযোগ অনুযায়ী, এই চক্রের মূল হোতা হিসেবে উঠে এসেছে শিকদার মাহবুব নামের এক কথিত সাংবাদিকের নাম। তার সহযোগী হিসেবে কাজ করছে তার শ্যালক রাসেল। তারা ছাপানো আনন্দ ভ্রমণের কার্ড দেখিয়ে নির্ধারিত অঙ্কের টাকা দাবি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

হাসপাতাল থেকে ভূমি অফিস,সবখানেই একই কায়দা!

 

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,কয়েকজন ব্যক্তি মেডিকেল সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চেম্বারে এসে আনন্দ ভ্রমণের কার্ড দেখিয়ে টাকা দাবি করে। পরে খোঁজ নিয়ে বুঝি,এটি একটি প্রতারণা চক্র।

 

বরিশাল সদর ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা জানান,আমাদের অফিসেও এমন কার্ড নিয়ে এসেছিল। সংগঠনের নাম শুনে অনেকেই বিভ্রান্ত হতে পারে। পরে নিশ্চিত হই,এগুলো ভুয়া।

 

মুলাদী উপজেলার মীরগঞ্জ খেয়াঘাটের এক ইজারাদার বলেন,সাংবাদিকদের আনন্দ ভ্রমণের জন্য সহযোগিতা করতে হবে,এই কথা বলে চাঁদা চাওয়া হয়। না দিলে সমস্যা করার ইঙ্গিত দেওয়া হয়। সন্দেহ হওয়ায় টাকা দিইনি।

 

সাংবাদিকতার নামে চাঁদাবাজি,পেশার মুখে কালিমা।

 

স্থানীয় সাংবাদিক ও সচেতন মহলের মতে, সংগঠনের নাম ব্যবহার করে এ ধরনের চাঁদাবাজি শুধু ফৌজদারি অপরাধই নয়, এটি সাংবাদিকতা পেশার বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর সরাসরি আঘাত।এভাবে চলতে থাকলে প্রকৃত সাংবাদিকরাও মানুষের আস্থার সংকটে পড়বেন।তাদের দাবি,দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে, না হলে এ ধরনের প্রতারণা আরও বিস্তার লাভ করবে।

 

সতর্কবার্তা ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান!

 

সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে কেউ যদি ‘আনন্দ ভ্রমণের কার্ড’ বা সংগঠনের নামে চাঁদার দাবি নিয়ে আসে, তাহলে যাচাই ছাড়া কোনো অর্থ দেওয়া যাবে না এবং বিষয়টি অবিলম্বে নিকটস্থ থানায় জানাতে হবে।

 

ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট মহল প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তাৎক্ষণিক ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন,যাতে,প্রতারকচক্রের লাগাম টেনে ধরা যায় এবং সাংবাদিকতার নামে চলমান এই চাঁদাবাজির অবসান ঘটে।