০৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশাল তরুণ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের নতুন কমিটি গঠন! বেতাগীতে রাইসমিলের লুটের অভিযোগ, মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই,আতঙ্কে ভুক্তভোগী পরিবার! গণপূর্তে লটারির আড়ালে বদলি-বাণিজ্যের অভিযোগ!দুই সারোয়ারের’ ভূমিকা নিয়ে তোলপাড়, গুরুত্বপূর্ণ পদে বিতর্কিতদের পুনর্বাসনের প্র জুলাইপন্থী প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ পুনর্বিবেচনা চায় জেজেইউ ৭৫ লাখ টাকা চাঁদাবাজি নয়, জমি ও রাস্তা নিয়ে চুক্তি- মাহমুদুর রহমানের প্রতিবাদ! বরিশালে সওজের কম্পিউটার অপারেটর ফারুককে ঘিরে সম্পদের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন, একাধিক জমি-ভবনের তথ্য সামনে জনগণই আন্দোলনই ক্ষমতার চাবিকাঠি- বাংলাদেশি রাজনীতির নতুন পাঠ! নেত্রকোনায় সাংবাদিককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় জেজেইউ তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ ঠিকাদারি কাজ, কথিত কমিশন ও সাংবাদিকদের ভূমিকা! বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলে কারা প্রভাব বিস্তার করছে? নির্বাহী প্রকৌশলী পদায়নে ‘লটারি’ নিয়ে প্রশ্ন! স্বজনপ্রীতি, গ্রুপিং ও ঘুষের অভিযোগ,নীরব কেন কর্তৃপক্ষ?

ভাইভা নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের প্রতিবাদে খুবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৭:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরকারি চাকরির ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডে নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের প্রতিবাদে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

পরে তারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

এতে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘মামা-খালুর সুপারিশ চলবে না’ এবং ‘ভাইভার নামে দলীয়করণ বন্ধ কর’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

গণিত ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম নাহিদ বলেন, মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানো হলে লিখিত পরীক্ষায় মেধার ভিত্তিতে এগিয়ে থাকা প্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

এতে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার পরিবর্তে সুপারিশ বা প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ফার্মেসি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী আলিফ মাহমুদ বলেন, অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা সবসময় সোচ্চার থাকবে।

সরকারি চাকরির প্রস্তুতি না নিলেও ন্যায্য নিয়োগব্যবস্থা নিশ্চিতের দাবিতে তারা এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।

সমাবেশে শিক্ষার্থীরা জানান, বিতর্কিত সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ৬ সেপ্টেম্বর প্রশাসনিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটির বৈঠকে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ১০ থেকে বাড়িয়ে ৫০ করার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভাইভা নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের প্রতিবাদে খুবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি চাকরির ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডে নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের প্রতিবাদে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

পরে তারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

এতে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘মামা-খালুর সুপারিশ চলবে না’ এবং ‘ভাইভার নামে দলীয়করণ বন্ধ কর’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

গণিত ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম নাহিদ বলেন, মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানো হলে লিখিত পরীক্ষায় মেধার ভিত্তিতে এগিয়ে থাকা প্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

এতে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার পরিবর্তে সুপারিশ বা প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ফার্মেসি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী আলিফ মাহমুদ বলেন, অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা সবসময় সোচ্চার থাকবে।

সরকারি চাকরির প্রস্তুতি না নিলেও ন্যায্য নিয়োগব্যবস্থা নিশ্চিতের দাবিতে তারা এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।

সমাবেশে শিক্ষার্থীরা জানান, বিতর্কিত সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ৬ সেপ্টেম্বর প্রশাসনিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটির বৈঠকে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ১০ থেকে বাড়িয়ে ৫০ করার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।