বেতাগীতে রাইসমিলের লুটের অভিযোগ, মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই,আতঙ্কে ভুক্তভোগী পরিবার!
- আপডেট সময় : ১০:৪১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।।বরগুনার বেতাগীতে আব্দুল মালেকের রাইসমিল থেকে রাতের আঁধারে মেশিন ও যন্ত্রাংশ লুটের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর মামলা হলেও এখনো আসামি গ্রেপ্তার ও লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার না হওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নে আব্দুল মালেকের রাইসমিলে গত ১৫ অক্টোবর ২০২৬ রাত ১২টার দিকে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীর দাবি, ওই রাতে মিলের গুরুত্বপূর্ণ মেশিন ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তিনি।
ভুক্তভোগী পক্ষের অভিযোগ, এ ঘটনায় সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা এবং বর্তমানে যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে পরিচিত মো. কামরুল হাসান সাদিদের নেতৃত্বের বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়নি বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করলে ভবিষ্যতে আরও সমস্যার মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এলাকায় চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ভয়ে তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
এ ঘটনায় সালামসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে বলে ভুক্তভোগী পক্ষ জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, সালামও আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, বর্তমানে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
মামলা হয়েছে, তবু গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধার কোথায়?
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, থানায় মামলা দায়েরের পরও এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি এবং লুট হওয়া মেশিন ও যন্ত্রাংশও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিচার পাওয়া নিয়ে হতাশা ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
রাজনৈতিক পরিচয় বদলালেই কি আইনের জবাবদিহি এড়ানো যায়? কোনো ব্যক্তি যে রাজনৈতিক দলের সঙ্গেই যুক্ত থাকুন না কেন, তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
ভুক্তভোগীর দাবি-দ্রুত গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধার
আব্দুল মালেকের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে বেতাগী থানা পুলিশের বক্তব্য, মামলার অগ্রগতি এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।














