০৪:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অপরাধ বিচিত্রার মোরশেদসহ দুই সম্পাদকের বিরুদ্ধে পাহাড়সম অভিযোগ! লাকুটিয়া খাল খনন ছাড়াই ফেরত গেল কোটি কোটি টাকার সরকারি বরাদ্দ! দেশবরেণ্য অনুসন্ধানী সাংবাদিক সাঈদুর রহমান রিমনের ১ম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এক স্বাচিপ নেতাকে হটিয়ে আরেক স্বাচিপ নেতাকে আনলো ড্যাব! সাংবাদিকতা পেশায় রাতারাতি বিত্তশালী হওয়ার সম্ভাবনা নেই -তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বরিশালে শাপলা বিলে পানিতে ডুবে পর্যটকের ম’র্মা’ন্তিক মৃ’ত্যু লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ১০ আগস্ট প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল একদিনে প্রা’ণ গেল আরও ৫ শিশুর রাজধানীতে বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়ার তথ্য সংগ্রহ করছে ডিএমপি

অপরাধ বিচিত্রার মোরশেদসহ দুই সম্পাদকের বিরুদ্ধে পাহাড়সম অভিযোগ!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৫:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। ​সাংবাদিকতার সাইনবোর্ড ব্যবহার করে ভীতি প্রদর্শন, ব্ল্যাকমেইল ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশের হুমকি দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার এক ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে সাপ্তাহিক ‘অপরাধ বিচিত্রা’ পত্রিকার সম্পাদক এস এম মোরশেদের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন ধরে অপসাংবাদিকতা ও হলুদ সাংবাদিকতার আড়ালে এক সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজির চক্র গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মানহানিকর ও বানোয়াট প্রতিবেদন তৈরি করে তা প্রকাশের ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করাই মূলত তার মূল অপকৌশল।

 

​এই চাঁদাবাজির প্রক্রিয়ায় সাধারণত কোনো ব্যবসায়ী, ব্যাংক কর্মকর্তা বা সরকারি চাকরিজীবীকে টার্গেট বানিয়ে প্রথমে তাদের নামে কাল্পনিক বা অতিরঞ্জিত দুর্নীতির অভিযোগ তৈরি করা হয়। এরপর টাকা না দিলেই নিউজ করা হবে বলে সরাসরি হুমকি দিয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে দাবি করা হয় লাখ লাখ টাকা। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বা টাকা দিতে দেরি হলে ‘অপরাধ বিচিত্রা’ ম্যাগাজিন ও তাদের তৈরি করা অনলাইন পোর্টালে পরপর কয়েকটি সংখ্যায় অবাস্তব ও মানহানিকর প্রতিবেদন প্রকাশ করে ভুক্তভোগীদেরকে সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলা হয়।

 

​এই ধারাবাহিক হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হয়ে আদালতের শরণাপন্নও হয়েছেন একাধিক ভুক্তভোগী। এরমধ্যে এমনই এক ঘটনায় ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানকে নিয়ে ২০২০ সালে বানোয়াট প্রতিবেদন প্রকাশ করেন মোরশেদ, যার নেপথ্যে ছিল মোটা অঙ্কের চাঁদা না পাওয়া। পরবর্তীতে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ২০২৪ সালে আদালত সম্পাদক এস এম মোরশেদকে অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমেও এস এম মোরশেদকে কুখ্যাত চাঁদাবাজ এবং অপরাধ বিচিত্রাকে একটি আন্ডারগ্রাউন্ড অখ্যাত ম্যাগাজিন হিসেবে উল্লেখ করে বহু ভুক্তভোগী টানা প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন।

 

একই ধরনের অপসাংবাদিকতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে ‘ভোরের বাংলাদেশ’ নামক অনলাইন পোর্টালের সম্পাদক হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধেও। পেশাগত নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে পরিচালিত এই অপসাংবাদিকতা ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ এবং নির্দিষ্ট আইনি ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অপরাধ বিচিত্রার মোরশেদসহ দুই সম্পাদকের বিরুদ্ধে পাহাড়সম অভিযোগ!

আপডেট সময় : ০১:০৫:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।। ​সাংবাদিকতার সাইনবোর্ড ব্যবহার করে ভীতি প্রদর্শন, ব্ল্যাকমেইল ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশের হুমকি দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার এক ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে সাপ্তাহিক ‘অপরাধ বিচিত্রা’ পত্রিকার সম্পাদক এস এম মোরশেদের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন ধরে অপসাংবাদিকতা ও হলুদ সাংবাদিকতার আড়ালে এক সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজির চক্র গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মানহানিকর ও বানোয়াট প্রতিবেদন তৈরি করে তা প্রকাশের ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করাই মূলত তার মূল অপকৌশল।

 

​এই চাঁদাবাজির প্রক্রিয়ায় সাধারণত কোনো ব্যবসায়ী, ব্যাংক কর্মকর্তা বা সরকারি চাকরিজীবীকে টার্গেট বানিয়ে প্রথমে তাদের নামে কাল্পনিক বা অতিরঞ্জিত দুর্নীতির অভিযোগ তৈরি করা হয়। এরপর টাকা না দিলেই নিউজ করা হবে বলে সরাসরি হুমকি দিয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে দাবি করা হয় লাখ লাখ টাকা। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বা টাকা দিতে দেরি হলে ‘অপরাধ বিচিত্রা’ ম্যাগাজিন ও তাদের তৈরি করা অনলাইন পোর্টালে পরপর কয়েকটি সংখ্যায় অবাস্তব ও মানহানিকর প্রতিবেদন প্রকাশ করে ভুক্তভোগীদেরকে সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলা হয়।

 

​এই ধারাবাহিক হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হয়ে আদালতের শরণাপন্নও হয়েছেন একাধিক ভুক্তভোগী। এরমধ্যে এমনই এক ঘটনায় ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানকে নিয়ে ২০২০ সালে বানোয়াট প্রতিবেদন প্রকাশ করেন মোরশেদ, যার নেপথ্যে ছিল মোটা অঙ্কের চাঁদা না পাওয়া। পরবর্তীতে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ২০২৪ সালে আদালত সম্পাদক এস এম মোরশেদকে অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমেও এস এম মোরশেদকে কুখ্যাত চাঁদাবাজ এবং অপরাধ বিচিত্রাকে একটি আন্ডারগ্রাউন্ড অখ্যাত ম্যাগাজিন হিসেবে উল্লেখ করে বহু ভুক্তভোগী টানা প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন।

 

একই ধরনের অপসাংবাদিকতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে ‘ভোরের বাংলাদেশ’ নামক অনলাইন পোর্টালের সম্পাদক হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধেও। পেশাগত নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে পরিচালিত এই অপসাংবাদিকতা ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ এবং নির্দিষ্ট আইনি ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।