১১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৯ স্ত্রীর দাবি ঘিরে তোলপাড়-মিছবাহর বিরুদ্ধে কারা,কেন সাজাচ্ছে ষড়যন্ত্রের জাল? ডেঙ্গুতে আক্রান্ত জেজেইউ সদস্য সচিব আহসান কামরুল, হাসপাতালে ছুটে গেলেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ! গণমাধ্যমের পুরোনো সিংহাসনে আবার বসার চেষ্টা? ডিবিসি কাণ্ডে ইকবাল সোবহান, পর্দার আড়ালের সাংবাদিকতা ও ক্ষমতার পুরোনো খেলোয়াড়দের নিয়ে তোলপাড়! জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে পেশাদার চালকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করল বিআরটিএ স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবায় মানুষের আস্থা অর্জন ডা. আমির হামজার, রেনু বেগমের মৃত্যু ঘিরে সামনে আসুক প্রকৃত ঘটনা দুর্নীতির খবর প্রকাশের জেরে ২০ লাখ টাকার চাঁদাবাজি মামলা! জামিন পেলেন দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের দুই সম্পাদক! বরিশাল তরুণ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের নতুন কমিটি গঠন! বেতাগীতে রাইসমিলের লুটের অভিযোগ, মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই,আতঙ্কে ভুক্তভোগী পরিবার! গণপূর্তে লটারির আড়ালে বদলি-বাণিজ্যের অভিযোগ!দুই সারোয়ারের’ ভূমিকা নিয়ে তোলপাড়, গুরুত্বপূর্ণ পদে বিতর্কিতদের পুনর্বাসনের প্র জুলাইপন্থী প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ পুনর্বিবেচনা চায় জেজেইউ

ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে ছাত্রীর আত্মহত্যা!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ ২৯৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পরিচালক-শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা, দনিয়াজুড়ে তোলপাড়।

নিজস্ব প্রতিবেদক ।।রাজধানীর দনিয়া এলাকার আলোচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজ এখন যেন শিক্ষা নয়, আতঙ্ক আর অভিযোগের আরেক নাম! ১০ম শ্রেণির ছাত্রী সাবিকুনের মর্মান্তিক আত্মহত্যার ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র ক্ষোভ, উত্তেজনা ও প্রতিবাদের ঝড়। একটি সম্ভাবনাময় কিশোরীর এমন করুণ মৃত্যু ঘিরে উঠছে ভয়াবহ সব অভিযোগ,যার কেন্দ্রে রয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আলহাজ্ব মাসুদ রানা লিটন ও কয়েকজন শিক্ষিকা।পরিবার, সহপাঠী ও স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চলা মানসিক চাপ, অপমান, ভয়ভীতি ও অমানবিক আচরণের শিকার ছিল সাবিকুন। গত ২০ মে দুপুর ৩টার দিকে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় সে। অভিযোগ উঠেছে, স্কুল কর্তৃপক্ষের লাগাতার মানসিক নির্যাতনই তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে।

স্কুল নয়, যেন মানসিক টর্চার সেল!

একাধিক অভিভাবকের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষার পরিবেশের চেয়ে ভয়ভীতির পরিবেশই বেশি প্রকট। সামান্য ভুলত্রুটি বা অভিযোগে শিক্ষার্থীদের বাবা-মাকে স্কুলে ডেকে প্রকাশ্যে অপমান করা হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরিচালক মাসুদ রানা লিটনের বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা ব্যবহার, কটূক্তি এবং শিক্ষার্থীদের হেয় করে কথা বলার অভিযোগও তুলেছেন অনেকেই।অভিযোগের তালিকায় উঠে এসেছে শিক্ষিকা মাহমুদা ম্যাডাম, সানজিদা ম্যাডাম ও রিফাত ম্যাডামের নামও। স্থানীয়দের দাবি, কিছু শিক্ষক-শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণ করতেন যেন তারা কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নয়, বরং মানসিক শাস্তির কারখানায় অবস্থান করছে।

 

টিসি দিবভবিষ্যৎ শেষ করে দিব!এভাবেই চলত ভয় দেখানো!

 

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ,কথায় কথায় টিসি দেওয়ার হুমকি, ক্লাসে অপমান, সহপাঠীদের সামনে হেয় করা এবং অভিভাবকদের ডেকে চাপ প্রয়োগ ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে ‘সমস্যাজনক ছাত্র/ছাত্রী হিসেবে চিহ্নিত করা হতো বলেও অভিযোগ উঠেছে।

 

কিছু শিক্ষার্থী দাবি করেছে,শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার ঘটনাও ঘটেছে বিভিন্ন সময়ে। তবে এসব অভিযোগের বিরুদ্ধে স্কুল কর্তৃপক্ষ এখনো স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল সাবিকুন। সহপাঠীদের ভাষ্য, কয়েক সপ্তাহ ধরেই সাবিকুন অস্বাভাবিক চুপচাপ হয়ে পড়েছিল। পরিবারকেও একাধিকবার স্কুলে ডেকে অপমান করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে পরিবারে অশান্তি তৈরি হয় এবং মেয়েটি ধীরে ধীরে চরম হতাশা ও মানসিক বিপর্যয়ের দিকে চলে যায়।

 

স্থানীয়দের প্রশ্ন,একটি কিশোরী কেন আত্মহত্যার মতো ভয়াবহ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলো? কী এমন ঘটেছিল, যা তাকে জীবনের চেয়ে মৃত্যুকে সহজ মনে করিয়েছে?

 

স্কুল ঘেরাও, আন্দোলন, উত্তেজনা!

 

সাবিকুনের মৃত্যুর ঘটনায় আজ ২১ মে সকাল থেকেই স্কুলের সামনে জড়ো হয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। অভিযোগ উঠেছে, আন্দোলনের সময় স্কুলের ভেতরে থাকা কোমলমতি শিশুদের গেট বন্ধ করে আটকে রাখা হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এখন ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক সব অভিযোগ ঘুরে বেড়াচ্ছে।অনেকে এটিকে শিক্ষার আড়ালে মানসিক নির্যাতনের সাম্রাজ্যবলেও মন্তব্য করছেন।

 

শিক্ষক যদি আতঙ্কের কারণ হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা কোথায় যাবে?

 

এ ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের একটাই দাবি,সাবিকুনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। অভিযুক্ত পরিচালক ও শিক্ষিকাদের জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছেন তারা।অনেকেই বলছেন,একজন শিক্ষকের দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের মানুষ করা, ভয় দেখানো নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় না হয়ে আতঙ্কের জায়গায় পরিণত হয়, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কোথায় নিরাপদ থাকবে?সাবিকুনের মৃত্যু এখন শুধু একটি পরিবারের কান্না নয়,এটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় চলমান মানসিক নির্যাতন, অপমান ও ভয়ভীতির সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এক জ্বলন্ত প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন!

 

ঘটনার পরও এখন পর্যন্ত প্রশাসনের দৃশ্যমান কঠোর পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে।এলাকাবাসীর প্রশ্ন,একজন শিক্ষার্থীর মৃত্যু কি শুধুই দুঃখজনক ঘটনা বলে চাপা পড়ে যাবে, নাকি সত্যিই বেরিয়ে আসবে পর্দার আড়ালের ভয়ংকর বাস্তবতা?সাবিকুনের মৃত্যুর সুষ্ঠু বিচার এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ওপর মানসিক নির্যাতন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি এখন সর্বত্র।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে ছাত্রীর আত্মহত্যা!

আপডেট সময় : ০১:১৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

পরিচালক-শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা, দনিয়াজুড়ে তোলপাড়।

নিজস্ব প্রতিবেদক ।।রাজধানীর দনিয়া এলাকার আলোচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজ এখন যেন শিক্ষা নয়, আতঙ্ক আর অভিযোগের আরেক নাম! ১০ম শ্রেণির ছাত্রী সাবিকুনের মর্মান্তিক আত্মহত্যার ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র ক্ষোভ, উত্তেজনা ও প্রতিবাদের ঝড়। একটি সম্ভাবনাময় কিশোরীর এমন করুণ মৃত্যু ঘিরে উঠছে ভয়াবহ সব অভিযোগ,যার কেন্দ্রে রয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আলহাজ্ব মাসুদ রানা লিটন ও কয়েকজন শিক্ষিকা।পরিবার, সহপাঠী ও স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চলা মানসিক চাপ, অপমান, ভয়ভীতি ও অমানবিক আচরণের শিকার ছিল সাবিকুন। গত ২০ মে দুপুর ৩টার দিকে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় সে। অভিযোগ উঠেছে, স্কুল কর্তৃপক্ষের লাগাতার মানসিক নির্যাতনই তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে।

স্কুল নয়, যেন মানসিক টর্চার সেল!

একাধিক অভিভাবকের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষার পরিবেশের চেয়ে ভয়ভীতির পরিবেশই বেশি প্রকট। সামান্য ভুলত্রুটি বা অভিযোগে শিক্ষার্থীদের বাবা-মাকে স্কুলে ডেকে প্রকাশ্যে অপমান করা হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরিচালক মাসুদ রানা লিটনের বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা ব্যবহার, কটূক্তি এবং শিক্ষার্থীদের হেয় করে কথা বলার অভিযোগও তুলেছেন অনেকেই।অভিযোগের তালিকায় উঠে এসেছে শিক্ষিকা মাহমুদা ম্যাডাম, সানজিদা ম্যাডাম ও রিফাত ম্যাডামের নামও। স্থানীয়দের দাবি, কিছু শিক্ষক-শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণ করতেন যেন তারা কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নয়, বরং মানসিক শাস্তির কারখানায় অবস্থান করছে।

 

টিসি দিবভবিষ্যৎ শেষ করে দিব!এভাবেই চলত ভয় দেখানো!

 

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ,কথায় কথায় টিসি দেওয়ার হুমকি, ক্লাসে অপমান, সহপাঠীদের সামনে হেয় করা এবং অভিভাবকদের ডেকে চাপ প্রয়োগ ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে ‘সমস্যাজনক ছাত্র/ছাত্রী হিসেবে চিহ্নিত করা হতো বলেও অভিযোগ উঠেছে।

 

কিছু শিক্ষার্থী দাবি করেছে,শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার ঘটনাও ঘটেছে বিভিন্ন সময়ে। তবে এসব অভিযোগের বিরুদ্ধে স্কুল কর্তৃপক্ষ এখনো স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল সাবিকুন। সহপাঠীদের ভাষ্য, কয়েক সপ্তাহ ধরেই সাবিকুন অস্বাভাবিক চুপচাপ হয়ে পড়েছিল। পরিবারকেও একাধিকবার স্কুলে ডেকে অপমান করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে পরিবারে অশান্তি তৈরি হয় এবং মেয়েটি ধীরে ধীরে চরম হতাশা ও মানসিক বিপর্যয়ের দিকে চলে যায়।

 

স্থানীয়দের প্রশ্ন,একটি কিশোরী কেন আত্মহত্যার মতো ভয়াবহ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলো? কী এমন ঘটেছিল, যা তাকে জীবনের চেয়ে মৃত্যুকে সহজ মনে করিয়েছে?

 

স্কুল ঘেরাও, আন্দোলন, উত্তেজনা!

 

সাবিকুনের মৃত্যুর ঘটনায় আজ ২১ মে সকাল থেকেই স্কুলের সামনে জড়ো হয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। অভিযোগ উঠেছে, আন্দোলনের সময় স্কুলের ভেতরে থাকা কোমলমতি শিশুদের গেট বন্ধ করে আটকে রাখা হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এখন ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক সব অভিযোগ ঘুরে বেড়াচ্ছে।অনেকে এটিকে শিক্ষার আড়ালে মানসিক নির্যাতনের সাম্রাজ্যবলেও মন্তব্য করছেন।

 

শিক্ষক যদি আতঙ্কের কারণ হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা কোথায় যাবে?

 

এ ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের একটাই দাবি,সাবিকুনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। অভিযুক্ত পরিচালক ও শিক্ষিকাদের জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছেন তারা।অনেকেই বলছেন,একজন শিক্ষকের দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের মানুষ করা, ভয় দেখানো নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় না হয়ে আতঙ্কের জায়গায় পরিণত হয়, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কোথায় নিরাপদ থাকবে?সাবিকুনের মৃত্যু এখন শুধু একটি পরিবারের কান্না নয়,এটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় চলমান মানসিক নির্যাতন, অপমান ও ভয়ভীতির সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এক জ্বলন্ত প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন!

 

ঘটনার পরও এখন পর্যন্ত প্রশাসনের দৃশ্যমান কঠোর পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে।এলাকাবাসীর প্রশ্ন,একজন শিক্ষার্থীর মৃত্যু কি শুধুই দুঃখজনক ঘটনা বলে চাপা পড়ে যাবে, নাকি সত্যিই বেরিয়ে আসবে পর্দার আড়ালের ভয়ংকর বাস্তবতা?সাবিকুনের মৃত্যুর সুষ্ঠু বিচার এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ওপর মানসিক নির্যাতন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি এখন সর্বত্র।