সংবাদ শিরোনাম ::
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নিয়ে অপপ্রচারের ঝড়!কাজ করছেন প্রশাসক শওকত, তবু কেন এই বিষোদগার? কদমতলীতে ফুল কুড়ি থিয়েটারের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল! মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা, মাসাসের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ভোলার লালমোহনে রিপোর্টার্স ইউনিটি দখল করে বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয় বরিশাল-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনের পক্ষে ১১০ স্থানে গণমিছিল! শুক্রবার মেহেন্দিগঞ্জ যাচ্ছেন জামায়াত আমির, দাঁড়িপাল্লা সমর্থকদের উচ্ছাস মেহেন্দিগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশস্থলে সাটানো হয়েছে ধানের শীষের ফেষ্টুন ব্যানার! বরিশালে দাঁড়িপাল্লার নারী সমর্থকদের হেনস্তা, থানায় অভিযোগ। পর্ন ভিডিও ভাইরাল নার্স রফিকুল আবার শেবাচিমে! অপরাধীর পুনর্বাসনে কার আশীর্বাদ?

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ব্যবস্থাপকের দায়ের করা মামলা সিআইডিতে -তদন্ত শুরু!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬ ২৩৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। গাজীপুর গাজীপুরে জাল জালিয়াতি ও প্রতারণা সংক্রান্ত একটি মামলার অধিকতর তদন্তের স্বার্থে মামলার বাদীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মামলার নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিবাদীদের বিরুদ্ধে আনীত জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তে সিআইডি এখন বেশ তৎপর।

​গত ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সিআইডি গাজীপুর জেলা ও মেট্রো কার্যালয়ের পুলিশ পরিদর্শক ফরিদা পারভীন লিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই তলব করা হয়।

​মামলার প্রেক্ষাপট ও তদন্ত,মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নং-৫ এ দায়ের করা একটি সিআর মামলায় (নং-৫৮৮/২০২৫) বিবাদীদের বিরুদ্ধে জালিয়াতিসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধের অভিযোগ আনেন মো: ফেরদাউছ সিকদার। তিনি পানিশাইল গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।

বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে মামলাটি বর্তমানে সিআইডি গাজীপুর জেলা ও মেট্রো শাখায় তদন্তাধীন রয়েছে।

​মামলাটিতে দণ্ডবিধির (পেনাল কোড) ১৪৩, ৪২০, ৪২৭, ৪৬৫, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৬৯, ৪৭১, ৪৭৪ এবং ৫০৬ ধারায় অভিযোগ করা হয়েছে।

এসব ধারায় সাধারণত জালিয়াতি, প্রতারণা, মূল্যবান দলিল জাল করা এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো অপরাধগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে।

​তদন্ত কর্মকর্তার নির্দেশনা,সিআইডি জানিয়েছে, মামলার ঘটনা সংক্রান্ত বিষয়ে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের নিমিত্তে বাদী মো: ফেরদাউছ সিকদারকে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ সকাল ১১:০০ ঘটিকায় সিআইডি গাজীপুর জেলা ও মেট্রো অফিসে (গাজীপুর সদর হাসপাতালের পার্শ্বে) উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। চিঠিতে বিষয়টিকে “অতীব জরুরী” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

​সিআইডির এই তদন্তের মধ্য দিয়ে মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ব্যবস্থাপকের দায়ের করা মামলা সিআইডিতে -তদন্ত শুরু!

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।। গাজীপুর গাজীপুরে জাল জালিয়াতি ও প্রতারণা সংক্রান্ত একটি মামলার অধিকতর তদন্তের স্বার্থে মামলার বাদীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মামলার নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিবাদীদের বিরুদ্ধে আনীত জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তে সিআইডি এখন বেশ তৎপর।

​গত ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সিআইডি গাজীপুর জেলা ও মেট্রো কার্যালয়ের পুলিশ পরিদর্শক ফরিদা পারভীন লিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই তলব করা হয়।

​মামলার প্রেক্ষাপট ও তদন্ত,মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নং-৫ এ দায়ের করা একটি সিআর মামলায় (নং-৫৮৮/২০২৫) বিবাদীদের বিরুদ্ধে জালিয়াতিসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধের অভিযোগ আনেন মো: ফেরদাউছ সিকদার। তিনি পানিশাইল গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।

বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে মামলাটি বর্তমানে সিআইডি গাজীপুর জেলা ও মেট্রো শাখায় তদন্তাধীন রয়েছে।

​মামলাটিতে দণ্ডবিধির (পেনাল কোড) ১৪৩, ৪২০, ৪২৭, ৪৬৫, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৬৯, ৪৭১, ৪৭৪ এবং ৫০৬ ধারায় অভিযোগ করা হয়েছে।

এসব ধারায় সাধারণত জালিয়াতি, প্রতারণা, মূল্যবান দলিল জাল করা এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো অপরাধগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে।

​তদন্ত কর্মকর্তার নির্দেশনা,সিআইডি জানিয়েছে, মামলার ঘটনা সংক্রান্ত বিষয়ে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের নিমিত্তে বাদী মো: ফেরদাউছ সিকদারকে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ সকাল ১১:০০ ঘটিকায় সিআইডি গাজীপুর জেলা ও মেট্রো অফিসে (গাজীপুর সদর হাসপাতালের পার্শ্বে) উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। চিঠিতে বিষয়টিকে “অতীব জরুরী” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

​সিআইডির এই তদন্তের মধ্য দিয়ে মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন।