০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাকরি ছাড়ার পরও বেতন তোলার তদবিরের অভিযোগ, চরফ্যাশনের মাদ্রাসায় তোলপাড়! নথিতে রাজনৈতিক ছাপ, ছবিতে ফুলেল শুভেচ্ছা-সরোয়ার হোসেনকে ঘিরে ‘জবাবদিহির ফাইল’ খুলবে কবে? উখিয়ায় ৩০ হাজার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক বরিশালে অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সংবাদ সম্মেলন গোয়ালন্দে নারীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, তিনজনের নাম উল্লেখ করে এজাহার! বরিশাল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) এবং মহিলা টিটিসি’র উদ্যোগে নিরাপদ অভিবাসন ও দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত চীনে কাঁকড়া-কুঁচিয়া রপ্তানি-নমুনা সংগ্রহে ‘বৈষম্য’ ও অনিয়মের অভিযোগ, সংকটে শত শত ব্যবসায়ী। সুনামের ঢাল, নাকি প্রশ্নের মুখোমুখি চিকিৎসা? রাজেন্দ্রপুরে চলন্ত গাড়িতে ছাবল! গভীর রাতে ডাকাতির চেষ্টার অভিযোগ। চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে মোঃ শাহাবুদ্দিন আহমেদ দুলাল

নথিতে রাজনৈতিক ছাপ, ছবিতে ফুলেল শুভেচ্ছা-সরোয়ার হোসেনকে ঘিরে ‘জবাবদিহির ফাইল’ খুলবে কবে?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৮:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ৫৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের ২০২২ সালের কমিটিতে নাম থাকার দাবি, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছার ছবি,সরকারি চাকরির আচরণবিধি কি তবে শুধু কাগজেই সীমাবদ্ধ?সরকারি চাকরি, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা আর প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা তিনটি বিষয়কে ঘিরে এবার প্রশ্নের মুখে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সরোয়ার হোসেন। সামনে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে কিছু নথি ও ছবি। সেগুলো ঘিরে শুরু হয়েছে আলোচনা, উঠছে তদন্তের দাবি। এখন দেখার বিষয়, এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ‘ফাইল’ আদৌ নড়েচড়ে বসে কি না!

 

কমিটির তালিকায় নাম, ছবিতে ফুলেল শুভেচ্ছা,কাকতালীয়, নাকি ব্যাখ্যার অপেক্ষা?

 

আজাদ বানীর হাতে আসা বলে উল্লেখ করা নথিতে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের ২০২২ সালের একটি কমিটির তালিকায় সরোয়ার হোসেনের নাম থাকার দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়ের একটি ছবিও আলোচনায় এসেছে।এখন প্রশ্ন,তালিকার ওই নামের সত্যতা কতটুকু? ছবিটি কোন সময়ের, কী উপলক্ষে তোলা এবং এর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটই বা কী? এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে যাচাই-বাছাই ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে,অনুমান কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনায় নয়।

 

রাজনৈতিক পরিচয়ের ছবি যদি দেয়ালে টাঙানোর মতো হয়,তাহলে সরকারি চাকরির আচরণবিধির পাতাগুলো কি শুধু আলমারিতে সাজিয়ে রাখার জন্য?রাজনীতির ফুল, প্রশাসনের চেয়ার,দুটোর হিসাব কি আলাদা হবে?সরকারি প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পেশাগত নিরপেক্ষতা ও প্রযোজ্য আচরণবিধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কর্মকর্তার রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে নির্দিষ্ট নথি সামনে এলে তা যাচাই করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। কিন্তু বাস্তবে সেই যাচাই কতটা নিরপেক্ষভাবে হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

 

অভিযোগ উঠলে প্রশ্নের জন্ম হয়, আর তদন্ত শুরু হলে সত্যের মুখোমুখি হতে হয়।মাঝখানে যদি কেবল নীরবতা থাকে, তাহলে জবাবদিহির দরজায় তালা ঝুলছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠবেই!

 

তদন্তের আওতায় আসবে কি সরোয়ার হোসেনের বিষয়টি?

আজাদ বানীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কয়েকটি স্পষ্ট প্রশ্ন,বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের ২০২২ সালের কমিটির তালিকায় তাঁর নাম থাকার দাবিটি যাচাই করা হবে কি?
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়ের ছবির সময়, প্রেক্ষাপট ও সত্যতা যাচাই করা হবে কি?

 

আজাদ বানী এ বিষয়ে সরোয়ার হোসেনের বক্তব্য এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানতে আগ্রহী। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

সরকারি চাকরি কোনো রাজনৈতিক স্মৃতিচারণের মঞ্চ নয়; এটি দায়িত্ব, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহির জায়গা। তাই নথি সত্য হলে ব্যাখ্যা দিন, অভিযোগের ভিত্তি থাকলে নিরপেক্ষ তদন্ত করুন, আর বিধিভঙ্গ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন।নইলে জনমনে প্রশ্ন থেকেই যাবে,ফাইল কি নিয়মে চলে, নাকি নিয়মই ফাইলের ভেতরে আটকে থাকে?

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নথিতে রাজনৈতিক ছাপ, ছবিতে ফুলেল শুভেচ্ছা-সরোয়ার হোসেনকে ঘিরে ‘জবাবদিহির ফাইল’ খুলবে কবে?

আপডেট সময় : ০৪:২৮:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।। বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের ২০২২ সালের কমিটিতে নাম থাকার দাবি, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছার ছবি,সরকারি চাকরির আচরণবিধি কি তবে শুধু কাগজেই সীমাবদ্ধ?সরকারি চাকরি, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা আর প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা তিনটি বিষয়কে ঘিরে এবার প্রশ্নের মুখে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সরোয়ার হোসেন। সামনে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে কিছু নথি ও ছবি। সেগুলো ঘিরে শুরু হয়েছে আলোচনা, উঠছে তদন্তের দাবি। এখন দেখার বিষয়, এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ‘ফাইল’ আদৌ নড়েচড়ে বসে কি না!

 

কমিটির তালিকায় নাম, ছবিতে ফুলেল শুভেচ্ছা,কাকতালীয়, নাকি ব্যাখ্যার অপেক্ষা?

 

আজাদ বানীর হাতে আসা বলে উল্লেখ করা নথিতে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের ২০২২ সালের একটি কমিটির তালিকায় সরোয়ার হোসেনের নাম থাকার দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়ের একটি ছবিও আলোচনায় এসেছে।এখন প্রশ্ন,তালিকার ওই নামের সত্যতা কতটুকু? ছবিটি কোন সময়ের, কী উপলক্ষে তোলা এবং এর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটই বা কী? এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে যাচাই-বাছাই ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে,অনুমান কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনায় নয়।

 

রাজনৈতিক পরিচয়ের ছবি যদি দেয়ালে টাঙানোর মতো হয়,তাহলে সরকারি চাকরির আচরণবিধির পাতাগুলো কি শুধু আলমারিতে সাজিয়ে রাখার জন্য?রাজনীতির ফুল, প্রশাসনের চেয়ার,দুটোর হিসাব কি আলাদা হবে?সরকারি প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পেশাগত নিরপেক্ষতা ও প্রযোজ্য আচরণবিধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কর্মকর্তার রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে নির্দিষ্ট নথি সামনে এলে তা যাচাই করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। কিন্তু বাস্তবে সেই যাচাই কতটা নিরপেক্ষভাবে হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

 

অভিযোগ উঠলে প্রশ্নের জন্ম হয়, আর তদন্ত শুরু হলে সত্যের মুখোমুখি হতে হয়।মাঝখানে যদি কেবল নীরবতা থাকে, তাহলে জবাবদিহির দরজায় তালা ঝুলছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠবেই!

 

তদন্তের আওতায় আসবে কি সরোয়ার হোসেনের বিষয়টি?

আজাদ বানীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কয়েকটি স্পষ্ট প্রশ্ন,বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের ২০২২ সালের কমিটির তালিকায় তাঁর নাম থাকার দাবিটি যাচাই করা হবে কি?
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়ের ছবির সময়, প্রেক্ষাপট ও সত্যতা যাচাই করা হবে কি?

 

আজাদ বানী এ বিষয়ে সরোয়ার হোসেনের বক্তব্য এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানতে আগ্রহী। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

সরকারি চাকরি কোনো রাজনৈতিক স্মৃতিচারণের মঞ্চ নয়; এটি দায়িত্ব, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহির জায়গা। তাই নথি সত্য হলে ব্যাখ্যা দিন, অভিযোগের ভিত্তি থাকলে নিরপেক্ষ তদন্ত করুন, আর বিধিভঙ্গ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন।নইলে জনমনে প্রশ্ন থেকেই যাবে,ফাইল কি নিয়মে চলে, নাকি নিয়মই ফাইলের ভেতরে আটকে থাকে?