জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে সংসদীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার মধ্যে প্রাণবন্ত বিতর্ক হয়েছে।

আলোচনায় সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদও উঠে আসে।

জাতীয় সংসদে গাজী নজরুল ইসলামের সংসদীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি এবং তার সংসদ সদস্যপদ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার মধ্যে আলোচনা হয়।

এ সময় সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে উভয়পক্ষ নিজ নিজ অবস্থান তুলে ধরেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় বিধি অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্যকে কোনো না কোনো স্থায়ী কমিটিতে রাখতে হয়।

বিরোধী দলের তালিকায় তার নাম না থাকায় এবং অন্য কয়েকটি কমিটিতে আপত্তি থাকায় তাকে একটি কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শুধু দল থেকে বহিষ্কার করলেই একজন সংসদ সদস্যের পদ বাতিল হয় না।

এ প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, যদি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে অবস্থান নেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়, তাহলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের আলোকে বিষয়টি বিবেচনার সুযোগ থাকতে পারে।

এ মন্তব্যকে তিনি ‘বিনা পয়সার পরামর্শ’ বলেও উল্লেখ করেন।

জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, গাজী নজরুল ইসলামকে নৈতিক কারণে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তাই সংসদের কোনো কমিটিতে তাকে না রাখাই যুক্তিযুক্ত হতো।

তিনি কমিটি পুনর্গঠনের সময় বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানান।

পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, চূড়ান্ত অনুমোদনের আগেই গাজী নজরুল ইসলামকে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটি থেকে প্রত্যাহার করা হবে।

এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।