টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী চমচমকে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

 

একই সঙ্গে তাঁতশিল্পের উন্নয়নে স্বল্প সুদের ঋণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

টাঙ্গাইলের শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী চমচমকে বিদেশে রপ্তানির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

শুক্রবার বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে তিন দিনব্যাপী ‘সুইট ফেস্টিভ্যাল-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, টাঙ্গাইলের চমচম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তেও পরিচিত। টাঙ্গাইলের শাড়ির মতো এই মিষ্টিও জেলার ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তাই এ পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি জানান, উৎসবের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী পণ্যগুলোকে দেশব্যাপী পরিচিত করা এবং নতুন বাজার তৈরি করা।

প্রধানমন্ত্রীও এর আগে টাঙ্গাইলের শাড়ি, চমচমআনারসের ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করেছেন বলেও জানান তিনি

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, চমচম শিল্পের বিকাশ ঘটলে দেশের রপ্তানি আয় বাড়বে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

তাঁতশিল্পের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, টাঙ্গাইলের শাড়ির আন্তর্জাতিক চাহিদা ধরে রাখতে তাঁতিদের সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা দেওয়া প্রয়োজন।

এ লক্ষ্যে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং শিগগিরই তাঁতিদের নিয়ে একটি সমাবেশ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলের পর্যটন সম্ভাবনা ও ঐতিহ্যবাহী মিষ্টিকে দেশ-বিদেশে পরিচিত করতে ৪ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ‘সুইট ফেস্টিভ্যাল-২০২৬’ আয়োজন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিতউৎসবে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে মিষ্টিতাঁতশিল্পের একাধিক স্টল অংশ নিয়েছে।