সংবাদ শিরোনাম ::
তদন্তের নামে টাকার খেলা! ডাবের দখল নিতে রক্তের খেলা!পাথরঘাটায় নিজ উঠানেই জেলে আলম ফিটারকে পিটিয়ে হত্যা। টেন্ডারে নতুন গেইট-দেয়াল, বাস্তবে পোড়ানো রডের জাদুঘর! মুরগির লিটারে পরিবেশ বিপর্যয়! নাবিল গ্রুপের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবিতে উত্তাল এলাকাবাসী। অভয়নগরে পুলিশের হাতকড়া নিয়ে চম্পট মাদকসেবী,ওসির দাবি-কিছু জানি না! কাপাসিয়ায় একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা! ঘাতক স্বামী পলাতক, এলাকায় শোক ও আতঙ্ক। ড্রাইভার ও পরিবহন শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা কার্যক্রম। কলম থামাতেই কি গায়েবি মামলা? মাগুরায় সাংবাদিককে সিআইডি তলব ঘিরে তোলপাড়! বাকেরগঞ্জের বিতর্কিত বহিষ্কৃত নেতা সেই কুদ্দুস আবারও আলোচনায়। জনগণকে দেওয়া ওয়াদা পালনে কাজ করছে বর্তমান সরকার- এমপি খোকন তালুকদার

টেন্ডারে নতুন গেইট-দেয়াল, বাস্তবে পোড়ানো রডের জাদুঘর!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৬:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬ ৭৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরিশাল এলজিইডিতে উন্নয়নের নামে স্ক্র্যাপ সাম্রাজ্য? ফ্যাসিস্ট ঠিকাদার হাসানকে ঘিরে ভয়াবহ অনিয়মের বিস্ফোরক অভিযোগ!

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের নামে বরিশালে চলছে কি তবে প্রকাশ্য লুটপাটের মহড়া? কাগজে-কলমে নতুন গেইট ও বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ আর বাস্তবে পোড়ানো রড, নিম্নমানের সামগ্রী, ধীরগতির কাজ আর দায়সারা নির্মাণ,এমন ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে বরিশাল এলজিইডি জেলা কার্যালয়ের প্রধান প্রবেশ গেইট ও বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণকাজে।

 

স্থানীয়দের ভাষায়,এটা উন্নয়ন না,সরকারি টাকার ওপর ঠিকাদারি সার্কাস!চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (PEDP-4) এর আওতায় Construction of Main Entry Gate and Boundary Wall of Barishal DDD Office প্রকল্পে প্রায় ৬৪ লাখ ৩৬ হাজার টাকার কাজ চললেও, সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে পুরো প্রকল্পজুড়ে অনিয়মের ছড়াছড়ি। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ঠিকাদার হাসান।

 

দিনে উন্নয়ন, রাতে পুরনো রডের পুনর্জন্ম!

সরেজমিনে দেখা যায়, দেয়ালের একপাশে নতুন নির্মাণের মেকআপ আর অন্যপাশে পুরনো দেয়ালেই রঙতুলি চালিয়ে নতুন কাজ দেখানোর চেষ্টা।স্থানীয়দের অভিযোগ,পুরো কাজটাই যেন চোখে ধুলো দেওয়ার প্রকল্প।সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ তৈরি হয়েছে রড ব্যবহারে।টেন্ডারে নির্ধারিত কোম্পানির রড ব্যবহার করার কথা থাকলেও সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে অজ্ঞাত ও নিম্নমানের রড।কোথাও কোথাও পোড়ানো পুরনো রড পর্যন্ত ব্যবহার করতে দেখা গেছে।এক শ্রমিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,পুরনো রড ঠিকাদারই আনছিলো।পরে বিষয়টা ধরা পড়ছে, তাই আর লাগাইতে মানা করছে।স্হায়ানীরা বলেন শিক্ষা অফিসে গেইট বানানো হচ্ছে, নাকি স্ক্র্যাপের দোকান বসানো হয়েছে?

দাঁড়ানোর আগেই ভেঙে পড়লো গেইটের ভিম!

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে প্রধান গেইটের ভিম নির্মাণে। অভিযোগ রয়েছে, স্টিমেট অনুযায়ী মেটারিয়াল ব্যবহার না করায় ভিম স্থাপনের সময়ই সেটি ভেঙে পড়ে।এলাকাবাসীর প্রশ্ন,যে গেইট দাঁড়ানোর আগেই ধপাস করে পড়ে যায়, সেটা কি সরকারি স্থাপনা, নাকি দুর্নীতির স্মৃতিস্তম্ভ?এদিকে গেইটের রিং রডে যেখানে ১০ সুতার রড ব্যবহারের কথা,সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে ৮ সুতার রড। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ইঞ্জিনিয়ার কামাল শ্রমিকদের সামনেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,১০ এর জায়গায় ৮ সুতার রড কেন লাগাইছো? খুলে ফেলো!কিন্তু পরে সাংবাদিকদের সামনে সেই একই কর্মকর্তা আবার বিষয়টিকে হালকা করে বলেন,এমন কিছু না,চেঞ্জ করে দিতে বলছি।তবে পরক্ষণেই আবার স্বীকারও করেন,ঠিকাদার চুরি করছে।স্থানীয়দের মন্তব্য,চুরি ধরা পড়ে, কিন্তু দায় কারও না,এইটাই এখন সরকারি উন্নয়নের নতুন সংজ্ঞা!

 

কাজ কম, ম্যানেজমেন্ট বেশি!

অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই ঠিকাদার হাসানের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের ম্যানেজ করার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,ভাই, আমরা তো ভাই-ভাই বসে কথা বলি,বিষয়টা আমি দেখতেছি,এই বক্তব্যের পর এলাকাজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষায়,কাজের চেয়ে ম্যানেজমেন্টেই বেশি দক্ষ ঠিকাদার!

 

টেন্ডার কোথায়? তথ্য যেন গায়েবের খাতায়!

সবচেয়ে রহস্যজনক বিষয় হলো,এত বড় প্রকল্পের টেন্ডার নোটিশই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা এলজিইডির ওয়েবসাইট ঘেঁটেও কোনো টেন্ডার তথ্য পাননি।পরে জেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করা হলে এক কর্মকর্তা বলেন,ম্যাডামের অনুমতি ছাড়া কিছু বলা যাবে না।ডিডি নিলুফা ইয়াছমিনের কাছে টেন্ডারের কপি চাইলে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন,সব এলজিইডি জানে, তাদের কাছে যানফলে প্রশ্ন উঠেছে,কাজ শিক্ষা অফিসের, টাকা সরকারি, কিন্তু তথ্য কোথায়?

 

ধীরগতির কাজ নিয়ে এলজিইডির সতর্কবার্তা!

এদিকে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ধীরগতির কাজের অভিযোগ এনে অফিসিয়াল সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।চিঠিতে বলা হয়েছে,কার্যাদেশ পাওয়ার পরও নির্ধারিত ওয়ার্ক প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজের অগ্রগতি হয়নি। দ্রুত অতিরিক্ত জনবল ও সরঞ্জাম বাড়িয়ে Pro Rata অনুযায়ী কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন,যে প্রকল্প শুধু গেইট আর দেয়াল নির্মাণের, সেটাই যদি মাসের পর মাস ঝুলে থাকে, তাহলে বড় প্রকল্পগুলোর অবস্থা কী?অনেকের মতে, সরকারি প্রকল্পে সময় বাড়িয়ে অতিরিক্ত সুবিধা নেওয়ার সংস্কৃতি এখন ওপেন সিক্রেট হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

ঠিকাদার একা, নাকি পুরো সিস্টেম জড়িত?

অফিসের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন,শুরু থেকেই তারা নিম্নমানের কাজ ও অনিয়মের বিষয়টি জানতেন। কিন্তু রহস্যজনক কারণে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

 

এখন স্থানীয়দের বড় প্রশ্ন,ঠিকাদার হাসান একাই কি এত সাহস দেখাচ্ছেন, নাকি পুরো সিস্টেমেরই কোনো অদৃশ্য ছায়া রয়েছে তার পেছনে?বরিশালের সচেতন নাগরিকরা অবিলম্বে,প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত,টেন্ডার তথ্য প্রকাশ,নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রীর পরীক্ষা,এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

টেন্ডারে নতুন গেইট-দেয়াল, বাস্তবে পোড়ানো রডের জাদুঘর!

আপডেট সময় : ০৮:২৬:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

বরিশাল এলজিইডিতে উন্নয়নের নামে স্ক্র্যাপ সাম্রাজ্য? ফ্যাসিস্ট ঠিকাদার হাসানকে ঘিরে ভয়াবহ অনিয়মের বিস্ফোরক অভিযোগ!

নিজস্ব প্রতিবেদক।।সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের নামে বরিশালে চলছে কি তবে প্রকাশ্য লুটপাটের মহড়া? কাগজে-কলমে নতুন গেইট ও বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ আর বাস্তবে পোড়ানো রড, নিম্নমানের সামগ্রী, ধীরগতির কাজ আর দায়সারা নির্মাণ,এমন ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে বরিশাল এলজিইডি জেলা কার্যালয়ের প্রধান প্রবেশ গেইট ও বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণকাজে।

 

স্থানীয়দের ভাষায়,এটা উন্নয়ন না,সরকারি টাকার ওপর ঠিকাদারি সার্কাস!চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (PEDP-4) এর আওতায় Construction of Main Entry Gate and Boundary Wall of Barishal DDD Office প্রকল্পে প্রায় ৬৪ লাখ ৩৬ হাজার টাকার কাজ চললেও, সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে পুরো প্রকল্পজুড়ে অনিয়মের ছড়াছড়ি। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ঠিকাদার হাসান।

 

দিনে উন্নয়ন, রাতে পুরনো রডের পুনর্জন্ম!

সরেজমিনে দেখা যায়, দেয়ালের একপাশে নতুন নির্মাণের মেকআপ আর অন্যপাশে পুরনো দেয়ালেই রঙতুলি চালিয়ে নতুন কাজ দেখানোর চেষ্টা।স্থানীয়দের অভিযোগ,পুরো কাজটাই যেন চোখে ধুলো দেওয়ার প্রকল্প।সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ তৈরি হয়েছে রড ব্যবহারে।টেন্ডারে নির্ধারিত কোম্পানির রড ব্যবহার করার কথা থাকলেও সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে অজ্ঞাত ও নিম্নমানের রড।কোথাও কোথাও পোড়ানো পুরনো রড পর্যন্ত ব্যবহার করতে দেখা গেছে।এক শ্রমিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,পুরনো রড ঠিকাদারই আনছিলো।পরে বিষয়টা ধরা পড়ছে, তাই আর লাগাইতে মানা করছে।স্হায়ানীরা বলেন শিক্ষা অফিসে গেইট বানানো হচ্ছে, নাকি স্ক্র্যাপের দোকান বসানো হয়েছে?

দাঁড়ানোর আগেই ভেঙে পড়লো গেইটের ভিম!

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে প্রধান গেইটের ভিম নির্মাণে। অভিযোগ রয়েছে, স্টিমেট অনুযায়ী মেটারিয়াল ব্যবহার না করায় ভিম স্থাপনের সময়ই সেটি ভেঙে পড়ে।এলাকাবাসীর প্রশ্ন,যে গেইট দাঁড়ানোর আগেই ধপাস করে পড়ে যায়, সেটা কি সরকারি স্থাপনা, নাকি দুর্নীতির স্মৃতিস্তম্ভ?এদিকে গেইটের রিং রডে যেখানে ১০ সুতার রড ব্যবহারের কথা,সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে ৮ সুতার রড। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ইঞ্জিনিয়ার কামাল শ্রমিকদের সামনেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,১০ এর জায়গায় ৮ সুতার রড কেন লাগাইছো? খুলে ফেলো!কিন্তু পরে সাংবাদিকদের সামনে সেই একই কর্মকর্তা আবার বিষয়টিকে হালকা করে বলেন,এমন কিছু না,চেঞ্জ করে দিতে বলছি।তবে পরক্ষণেই আবার স্বীকারও করেন,ঠিকাদার চুরি করছে।স্থানীয়দের মন্তব্য,চুরি ধরা পড়ে, কিন্তু দায় কারও না,এইটাই এখন সরকারি উন্নয়নের নতুন সংজ্ঞা!

 

কাজ কম, ম্যানেজমেন্ট বেশি!

অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই ঠিকাদার হাসানের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের ম্যানেজ করার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,ভাই, আমরা তো ভাই-ভাই বসে কথা বলি,বিষয়টা আমি দেখতেছি,এই বক্তব্যের পর এলাকাজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষায়,কাজের চেয়ে ম্যানেজমেন্টেই বেশি দক্ষ ঠিকাদার!

 

টেন্ডার কোথায়? তথ্য যেন গায়েবের খাতায়!

সবচেয়ে রহস্যজনক বিষয় হলো,এত বড় প্রকল্পের টেন্ডার নোটিশই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা এলজিইডির ওয়েবসাইট ঘেঁটেও কোনো টেন্ডার তথ্য পাননি।পরে জেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করা হলে এক কর্মকর্তা বলেন,ম্যাডামের অনুমতি ছাড়া কিছু বলা যাবে না।ডিডি নিলুফা ইয়াছমিনের কাছে টেন্ডারের কপি চাইলে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন,সব এলজিইডি জানে, তাদের কাছে যানফলে প্রশ্ন উঠেছে,কাজ শিক্ষা অফিসের, টাকা সরকারি, কিন্তু তথ্য কোথায়?

 

ধীরগতির কাজ নিয়ে এলজিইডির সতর্কবার্তা!

এদিকে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ধীরগতির কাজের অভিযোগ এনে অফিসিয়াল সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।চিঠিতে বলা হয়েছে,কার্যাদেশ পাওয়ার পরও নির্ধারিত ওয়ার্ক প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজের অগ্রগতি হয়নি। দ্রুত অতিরিক্ত জনবল ও সরঞ্জাম বাড়িয়ে Pro Rata অনুযায়ী কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন,যে প্রকল্প শুধু গেইট আর দেয়াল নির্মাণের, সেটাই যদি মাসের পর মাস ঝুলে থাকে, তাহলে বড় প্রকল্পগুলোর অবস্থা কী?অনেকের মতে, সরকারি প্রকল্পে সময় বাড়িয়ে অতিরিক্ত সুবিধা নেওয়ার সংস্কৃতি এখন ওপেন সিক্রেট হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

ঠিকাদার একা, নাকি পুরো সিস্টেম জড়িত?

অফিসের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন,শুরু থেকেই তারা নিম্নমানের কাজ ও অনিয়মের বিষয়টি জানতেন। কিন্তু রহস্যজনক কারণে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

 

এখন স্থানীয়দের বড় প্রশ্ন,ঠিকাদার হাসান একাই কি এত সাহস দেখাচ্ছেন, নাকি পুরো সিস্টেমেরই কোনো অদৃশ্য ছায়া রয়েছে তার পেছনে?বরিশালের সচেতন নাগরিকরা অবিলম্বে,প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত,টেন্ডার তথ্য প্রকাশ,নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রীর পরীক্ষা,এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।