০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে মোঃ শাহাবুদ্দিন আহমেদ দুলাল বিক্রয় বৃদ্ধি থেকে গ্রাহকসেবা-বরিশালে ১২০ ব্যবসায়ীকে নিয়ে এমইপি গ্রুপের দিনব্যাপী সম্মেলন বাদী সাজিয়ে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন! বিল্লাল হত্যা-সন্ত্রাসী বাবু’সহ জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে স্বজনদের আগুনঝরা মানববন্ধন। একটি কলমের নীরবতা এবং কিছু না বলা হাহাকার-সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির অন্তিম যাত্রা! তালাক ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগ, বরিশালে স্বামীর থানায় লিখিত অভিযোগ! তারাকান্দায় মৎস্য খামারে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ! পরকীয়ার জেরে হোটেলকক্ষে স্ত্রী হত্যা-১৬ বছর পর প্রকৌশলীর যাবজ্জীবন! আকাশ মিয়াকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ, ক্ষোভে ফুঁসছে মোলাবাড়ি! বদলির আদেশেই কি থামবে হাই-টেক পার্কের ‘অনিয়মের সাম্রাজ্য’?

বাদী সাজিয়ে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ঝালকাঠি সদর থানার (এজাহারভুক্ত মামলা নং-৩৬ দণ্ডবিধির ২১১/৪০৬/৪২০ ধারায়) দায়ের করা মামলাকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মামলার বাদী মোঃ আজাদ খান (৩৪)।সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোঃ আজাদ খান দাবী করেন, মামলার ১ নম্বর আসামি সাংবাদিক মোল্লা শাওন (সোহাগ) এবং ২ নম্বর আসামি আব্দুর রহিম মুন্নার বিরুদ্ধে তার ব্যক্তিগত কোনো অভিযোগ ছিল না এবং তিনি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে চাননি।

 

লিখিত বক্তব্যে আজাদ খান আরও অভিযোগ করেন, ঝালকাঠি সদর থানার তদন্ত ওসি মেহেদী হাসান, এসআই মুহিব চন্দ্র হালদার ও সেকেন্ড অফিসার গালিব তাকে চাপ প্রয়োগ করে মামলার বাদী হিসেবে ব্যবহার করেছেন। তার দাবি, তাকে একদিন ও একরাত থানার হাজতখানায় আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং পুলিশের প্রস্তুত করা এজাহারে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়।আজাদ খান অভিযোগ করেন,পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিজেদের কথিত অপরাধ ও ব্যর্থতা আড়াল করার উদ্দেশ্যে তাকে ব্যবহার করে সাংবাদিক মোল্লা শাওন ও আব্দুর রহিম মুন্নার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি মামলাটির বিষয়ে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।একই সঙ্গে তার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মামলার আসামিদের বিষয়ে ন্যায়সংগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজির হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

তবে সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাইযোগ্য বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাদী সাজিয়ে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন!

আপডেট সময় : ১০:২২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।।ঝালকাঠি সদর থানার (এজাহারভুক্ত মামলা নং-৩৬ দণ্ডবিধির ২১১/৪০৬/৪২০ ধারায়) দায়ের করা মামলাকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মামলার বাদী মোঃ আজাদ খান (৩৪)।সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোঃ আজাদ খান দাবী করেন, মামলার ১ নম্বর আসামি সাংবাদিক মোল্লা শাওন (সোহাগ) এবং ২ নম্বর আসামি আব্দুর রহিম মুন্নার বিরুদ্ধে তার ব্যক্তিগত কোনো অভিযোগ ছিল না এবং তিনি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে চাননি।

 

লিখিত বক্তব্যে আজাদ খান আরও অভিযোগ করেন, ঝালকাঠি সদর থানার তদন্ত ওসি মেহেদী হাসান, এসআই মুহিব চন্দ্র হালদার ও সেকেন্ড অফিসার গালিব তাকে চাপ প্রয়োগ করে মামলার বাদী হিসেবে ব্যবহার করেছেন। তার দাবি, তাকে একদিন ও একরাত থানার হাজতখানায় আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং পুলিশের প্রস্তুত করা এজাহারে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়।আজাদ খান অভিযোগ করেন,পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিজেদের কথিত অপরাধ ও ব্যর্থতা আড়াল করার উদ্দেশ্যে তাকে ব্যবহার করে সাংবাদিক মোল্লা শাওন ও আব্দুর রহিম মুন্নার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি মামলাটির বিষয়ে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।একই সঙ্গে তার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মামলার আসামিদের বিষয়ে ন্যায়সংগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজির হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

তবে সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাইযোগ্য বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।