ভোলার লালমোহনে রিপোর্টার্স ইউনিটি দখল করে বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়
- আপডেট সময় : ১০:৫৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

ভোলা প্রতিনিধি।। ভোলার লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয় এখন বিএনপির প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের নির্বাচনী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করছেন বিএনপির এক নেতা। এ নিয়ে রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্যসহ স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে মেজর (অব.) হাফিজের ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে কথা বলছে না।
রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, ভোলা-৩ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের চাচা ও বিএনপি নেতা মিলন পঞ্চায়েত রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়টি মেজর (অব.) হাফিজের নির্বাচনী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করছেন।
তিনি কার্যালয়ের দেয়ালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া, দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদের ছবি টাঙিয়েছন।
তবে ৫ আগস্টের পর রিপোর্টার্স ইউনিটির এ কার্যালয়টি দখলের উদ্দেশে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন বিএনপি নেতা ফারুক পাটোয়ারী। সেসময় সাংবাদিকদের তোপের মুখে তালা খুলে দেন তিনি। এরপর মিলন পঞ্চায়েত মেজর (অব.) হাফিজের নির্বাচনী কার্যালয় করার জন্য সাংবাদিকদের অফিসটি দখল করেন।
রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক এক নেতা বলেন, মূলত কার্যালয়টি স্থায়ীভাবে দখলের পায়তারা চালাচ্ছেন মেজর (অব.) হাফিজের নেতাকর্মীরা। একইসাথে সাংবাদিকদের কার্যালয়টি দখলের মাধ্যমে তারা সাধারণ মানুষের মাঝে ভীতি তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে।
রিপোর্টার্স ইউনিটি দখল করে নির্বাচনী কার্যালয় বানানোর বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি নেতা মিলন পঞ্চায়েত বলেন, রিপোর্টার্স ইউনিটি আমার ছোটভাই আমজাদের অফিস। সেই হিসাবে আমি সেখানে বসি। ছোটভাইয়ের অফিসে আমার নেতাদের ছবি টাঙ্গিয়েছি।
এ বিষয়ে জানতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদের নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
উল্লেখ্য, ৫ আগস্টের পর বিএনপির নেতাকর্মীদের দ্বারা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, চর দখল, চাঁদাবাজি, মামলাবাজিসহ নানা অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ করতে গিয়ে হুমকির শিকার হয়েছিলেন অনেক সাংবাদিক। বিএনপির এসব নেতাকর্মীদের চাঁদাবাজি, লুটপাট ও অনিয়ম এমন পর্যায়ে পৌঁঁছেছে যে, মেজর হাফিজ নির্বাচনী জনসভায় তার আশেপাশের লোকজন দেখে ভোট না দিয়ে তাকে দেখে ভোট দেওয়ার জন্য নির্বাচনী জনসভায় প্রচারণা চালাচ্ছেন।









